ভগবত গীতার শিক্ষা ও প্রতিটি অধ্যায়ের সারাংশ

ভগবত গীতার শিক্ষা - ভগবত গীতা মহাভারতের ভীষ্ম পর্বের (২৪ থেকে ৪২ অধ্যায়) অন্তর্গত| পন্ডিতগণ মনে করেন যে অষ্টম শতাব্দীতে শ্রীশঙ্করাচার্য প্রথম এই অধ্যায়গুলিকে মহাভারত থেকে আলাদা করেন এবং গীতা হিসাবে এর একটি ভাষ্য লেখেন| ভগবত গীতায় আঠারটি অধ্যায় আছে| এই আঠার অধ্যায়ে সাতশত শ্লোক আছে| ভগবত গীতা হচ্ছে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের প্রাক্কালে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর বন্ধু ও শিষ্য…
অসীম ভট্টাচার্য

This entry was posted in Religion, Society. Bookmark the permalink.

44 Responses to ভগবত গীতার শিক্ষা ও প্রতিটি অধ্যায়ের সারাংশ

  1. chandan says:

    খুবই ভালো লেগেছে। আমি শ্রী কৃষ্ণে মায়া কি জানতে চাই

  2. shampa chowdhury says:

    Valo legechhe ami Geetar sob kota saransho jante chai

  3. dipak sengupta says:

    অসীম ভট্টাচার্য মহাশয়কে ধন্যবাদ তার ভগবদ্গীতার সম্বন্ধে লেখার জন্য| অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে এ ধরণের লেখারও বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে| বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মূল্যবোধের অবনতি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অস্থিরতা যে ক্রমবর্ধমান, তা থেকে স্পষ্ট ‘শিক্ষা’ লাভ ও ‘জ্ঞান’ অর্জনের সঙ্গে মানুষের অন্তর্জগতের প্রকৃত স্বরূপ সম্বন্ধে অবগত হয়ে আত্মিক উন্নতির চেষ্টা করা ছাড়া মনুষ্যত্ব অর্জন এবং সমাজের উন্নতি সাধন সম্ভব নয়|
    যাই হোক এ লেখার উদ্দেশ্য হল, ২০শে জানুয়ারী তারিখে ‘চন্দন’ শ্রীকৃষ্ণের মায়া সম্বন্ধে জানতে চেয়েছেন| উনি নিশ্চয়ই ‘মায়া’ বিষয়টি গীতায় কি ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে সেটাই বলতে চেয়েছেন| ‘মা’ (নাস্তিবাচক) এবং ‘য়া’ (অস্তিবাচক) – এ দুটি বিপরীতার্থক শব্দসমষ্টি নিয়ে মায়ার উৎপত্তি; অর্থাৎ যা নেই অথচ আছে| এর অর্থ হল, কোন বিষয় বা বস্তুকে আপাতভাবে যে দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে বা বোঝা যাচ্ছে, সেটা তা নয়| মায়ার একটি বৈশিষ্ট্য হল, এর রূপের পরিবর্তন, অর্থাৎ কোন সময়ে যে বস্তু যে ভাবে প্রতিভাত হচ্ছে বা তা থেকে যে ভাবের উদ্ভব হচ্ছে পরবর্তী সময়ে তার পরিবর্তন ঘটছে| অনিত্য বস্তু স্থিতিশীল নয়| এ জন্যই ‘মায়া’ মোহজাল বিস্তার করে মানুষের মনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে| এই বিভ্রান্তি বিষয় থেকে বিষয়ে স্থানান্তরিত হয়ে সারা জীবন ধরে মানুষকে দিশাহীন করে তোলে| আলোচনা সংক্ষিপ্ত করা যাক| ভগবদ্গীতার অষ্টাদশ অধ্যায়ের ৬১ নং শ্লোকে বলা হয়েছে :
    ঈশ্বরঃ সর্ব্বভূতানাং হৃদ্দেশের্জুন তিষ্ঠতি|
    ভ্রাময়ন্ সর্ব্বভূতানি যন্ত্ররূঢ়ানি মায়য়া|| (১৮/৬১)
    লুপ্ত-অকারের অভাববশতঃ শ্লোকটিকে ত্রুটিমুক্ত ভাবে লেখা গেল না| শ্লোকটিতে বলা হয়েছে, ঈশ্বর সর্ব্বভূতের হৃদয়ে অবস্থিত হয়ে মায়া দ্বারা সবাইকে যন্ত্রের মত ঘোরাচ্ছেন| প্রশ্ন উঠতে পারে, ঈশ্বর ত মঙ্গলময় তা হলে তিনি জীবকে ঘোরাবেন কেন? আসলে আমরাই ভ্রমে পড়ে সঠিক কর্ম অনুষ্ঠান না করে বিরূপ কর্মফল সৃষ্টি করছি এবং ঈশ্বর নির্দিষ্ট নিয়মে আমাদেরই সৃষ্ট কর্মফল ভোগ করছি| এই কর্মফল সবার ক্ষেত্রেই নিখুত ও নির্মম ভাবে কার্যকরী হয়| এই কর্মফল বোঝা খুব কঠিন, এ জন্যই বলা হয়েছে “গহনা কর্ম্মণো গতিঃ” (৪/১৭)| তা হলে করণীয় কি? এর উত্তর অষ্টাদশ অধ্যায়ের পরের শ্লোকটিতেই রয়েছে|
    তমেব শরণং গচ্ছ সর্ব্বভাবেন ভারত|
    তৎ প্রসাদাৎ পরাং শান্তিং স্থানং প্রাপ্স্যসি শাশ্বতম|| (১৮/৬৬)
    সর্বতোভাবে সেই ঈশ্বরেরই শরণাপন্ন হতে উপদেশ দেওয়া হযেছে এবং আশ্বাস বাণী উচ্চারিত হয়েছে যে, তাঁরই আশীর্বাদে সেই পরম শান্তি ও শাশ্বত পদ লাভ করা যাবে| এই শরণাগতি সম্বন্ধে শ্রী ভট্টাচার্যও লিখেছেন এবং গীতায় অন্যত্রও এর উল্লেখ রয়েছে| সেই বিখ্যাত শ্লোকটি এখানে প্রাসঙ্গিক :
    সর্ব্বধর্ম্মান পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ|
    অহং ত্বাং সর্ব্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িস্যামি মা শূচঃ|| (১৮/৬৬)
    আলোচ্য ‘মায়া’ সম্বন্ধে গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন :
    দৈবী হ্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত্যয়া|
    মামেব যে প্রপদ্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে|| (৭/১৪)
    শ্রীকৃষ্ণ নিজেই সতর্ক করে দিচ্ছেন, মায়া অত্যন্ত দুস্তর| কিন্তু যারা আমাকে ভজনা করেন, তারা মায়া অতিক্রম করতে পারেন| এর সঙ্গে কোন বিশেষ ধর্মমতের সম্পর্ক নেই| সব ধর্মের মূল বিষয় একই|
    অসীম ভট্টাচার্যকে অনুরোধ এই ধরণের বিষয় নিয়ে সহজ ভাবে সাধারণের বোধগম্য করে তিনি আরো লিখুন| এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে| যারা পড়তে চান পড়বেন|

  4. anjon biswas says:

    aata pore onik oopokar pelam, thanks

  5. SIMUL SAIKOT says:

    আপনার কাছ থেকে আরো ভালো ভালো পোষ্ট

  6. মেঘনাথ কর / MEGHNATH KAR says:

    আপনাকে প্রথমে প্রনাম জানাই । জীবনে টাকাটাই কি সব ? ভাগ্য বলে কি সত্যি কিছু আছে ? না সবটাই আমাদের মনকে সান্তনা দেবার একটা অজুহাত এই ভাগ্য ? গীতাতে যদি এই প্রসঙ্গে যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে দয়াকরিয়া বিস্তারিত জানাইবেন । ভুলত্রুটি হইলে মাজনা করিয়া দিবেন । প্রনাম লইবেন আমার ।

  7. D Sengupta says:

    মূল লেখাটি অসীম ভট্টাচার্য মহাশয়ের রচিত। অসীম বাবুকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ ধরণের লেখার প্রয়োজনীয়তার কথা আমি আগেই উল্লেখ করেছি। চন্দন জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখে একটি প্রশ্ন তুলেছিলেন, এপ্রিল মাসের ২ তারিখে আমি আমার যা মনে হয় সেটা গীতার শ্লোকের সাহায়্যে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। মেঘনাথ বাবুর প্রশ্নের উত্তর অসীম বাবুই হয় ত দেবেন।
    দীপক সেনগুপ্ত।

  8. sudeb Som says:

    আপনাকে প্রনাম জানাই । অসীম ভট্টাচার্য মহাশয়কে ধন্যবাদ তার ভগবদ্গীতার সম্বন্ধে লেখার জন্য|

  9. Anonymous says:

    আমার প্রশ্নের উওর চাই

    • webmaster says:

      অসীমবাবুর সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করতে পারছি না। উনি যদি নিজের থেকে ব্লগ দেখেন, একমাত্র তাহলেই উত্তর পাবার সম্ভাবনা আছে।

  10. dipak bala says:

    Amar mone hoy janmo ebong mrityu satya baki sab maya. Ei mayar bandhan katate na parle kono dharmo palone e mukti nai jiber. Ai maya katanor ek matro upay prokriti theke sikha neoya. Er theke sreshtho upai are nai.thanks.

  11. dipak bala says:

    Thanks

  12. Milon roy milon roy says:

    আপনাকে প্রথমে প্রনাম জানাই ।
    জীবনে টাকাটাই কি সব ? ভাগ্য বলে
    কি সত্যি কিছু আছে ? না সবটাই
    আমাদের মনকে সান্তনা দেবার একটা
    অজুহাত এই ভাগ্য ? গীতাতে যদি এই
    প্রসঙ্গে যদি কিছু থেকে থাকে
    তাহলে দয়াকরিয়া বিস্তারিত
    জানাইবেন । ভুলত্রুটি হইলে মাজনা
    করিয়া দিবেন । প্রনাম লইবেন আমার ।

  13. Akshay biswas says:

    মায়া জাল হইতে বাহির হইবার উপায়,জীব মুকতি পাইবে কিসে। আমার প্রনাম গ্রহন করুন।

  14. Subrata says:

    গীতাকে কেন “গীতা ” বলা হয়?

  15. ভরত চন্দ্ররায় says:

    ভগবত গীতা নিয়ে আলোচনা করি

  16. SA ADESH says:

    খুবই সুনদর

  17. rayhan says:

    dropod ar poncho rotno dara mohavarot ae ki bujano hoyesey.doya korey bolun.(5 ti attar bistarito jantey chai)
    country:bangladesh.
    Religion:islam

  18. শ্রীকৃষ্ণের মুখ নিঃসৃত বানী অর্থাত গীতা পড়লেই যেন মনে করিয়ে দেয় জীবনে চলার পদ্ধতি টা।গীতা আমাদের চলার পথে পাথেয়।যুগ যুগ ধরে প্রভু কৃষ্ণের এই মুখ নিঃসৃত বানী সমাজে মিলে আসছে ।
    “মহাভারতের কথা অমৃত সমান
    কাশিরাম দাস কহে শুনে পূন্যবান।”

    ধন্যবাদ অসীমবাবু আপনাকে।

  19. হরি ভক্ত রাজিব says:

    আমরা হিন্দু তাই আমাদের এই গিতা পাঠ করা আবস্যাক গিতা ভগবান শ্রী কৃঞ্ষ মুখের বানি

  20. Anonymous says:

    গীতা আমাদের সবাইকে পড়েতে হবে.? গীতা মধো পাচ

  21. Anonymous says:

    যে গীতায় মূর্তি পূজা না করার জন্য কত কথা লেখা আছে, সেই গীতায় আবার বলা হচ্ছে ভগবানের শত নাম শত রুপ । যে যেনামে তাকে তুষ্ট করে সে সেভাবে ভগবান দর্শন পায়। ব্যাপার টা ঠিক সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরছে আবার পৃথিবীও সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে এমন হলনা?

    • Anonymous says:

      সেটা ভালো ভাবে বুঝতে হবে ।গীতাই কোন ভুল খুজে পাবেনা।

  22. Anonymous says:

    খুব ভালো

  23. poritosh bagchi says:

    আমরা আরও গীতা সম্পর্কে জানতে চাই

  24. Rahul Adhya says:

    Joy Nitay .Ami akjon student egulor ortho bujhte ektu som0ssa hoi.

  25. Anonymous says:

    খুব ভালো লাগলো …

  26. দিপ্ত says:

    খুব ভালো লাগলো …. ডুব ডুব ডুব ডুব সাগরে আমার মন <3

  27. Anonymous says:

    অপূর্ব আপনাদের প্রচেষ্টা। সত্যিই খুব সুন্দর। ভাষা বর্ণনা করা যায় না।

  28. Madhab Das says:

    আমার এই গীতাটি পড়ে
    আনেক ভালোলেগেছে
    আনেক কিছু জেনেছি

  29. Anonymous says:

    গীতা না থাকলে আমাদের ধর্ম থাকতো না আমি এটা মনে করি।

  30. Anonymous says:

    গীতার ধর্ম, গীতার মর্ম না বুঝে যে ছাড়।তার ইহলোক পরলোক সকলি বেকার। যে গীতা পড়েনাই সে ঈশ্বরকে জানেনাই। ।।

  31. premtosh das says:

    খুব ভাল লাগে গিতার বানি

  32. গিতা আমার ভাল লাগে আমার মনের শাথে মিলেয়া

  33. bapi d says:

    Good

  34. Anonymous says:

    ভালো লাগল

  35. Shuvo Kumar says:

    nice

  36. Anonymous says:

    এক মাত্র গীতাই মানব জীবন কে সার্থক করতে পারে।

  37. Suman paul says:

    এক মাত্র গীতাই মানব জীবন কে সার্থক করতে পারে

  38. My name is Bani Bhattacharyya, I am wife of Ashim Bhattacharyya.
    I did not look at Abasar for a long time. Today I noticed that this Article does not have the Eighteenth chapter. According to my husband – he sent it to you a long time back.
    Please take a look and add it to this article.
    Thank you

    • Webmaster says:

      আপনার স্বামী ঠিকই বলেছেন। উনি পাঠিয়েছিলেন এবং সেটা সাইটে তোলাও হয়েছিল। কিন্তু সূচীপত্রে সেটা যোগ করে হয়নি। এখন ঠিক করে দেওয়া হল। এটা আমাদের নজরে আনার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>