শান্তিনিকেতনের ‘বাল্মীকি কোকিলম’

শান্তিনিকেতনের ‘বাল্মীকি কোকিলম’ – দিনটা ছিল ১৯শে মে ১৯১৪। ঢাকার রমনায় (এখন বাংলাদেশে) ঈশানচন্দ সেনের ব্রাহ্ম পরিবারে যখন একটি নবজাতিকা ভূমিষ্ঠ হ’ল তখন বাবা, কাকা, জেঠিমা, ঠাকুমা ও একান্নবর্তী পরিবারের সবার মধ্যে আনন্দের সাড়া পড়ে যায়। সেদিন শাঁখ ও উলুধ্বনির মধ্যে যাকে বরণ করে নেওয়া হয়েছিল পরবর্তী কালে তার বুদ্ধি ও মেধার বিকাশ হয়েছিল আশ্চর্য রকম।

This entry was posted in History, music, Reflections. Bookmark the permalink.

8 Responses to শান্তিনিকেতনের ‘বাল্মীকি কোকিলম’

  1. তনুশ্রী চক্রবর্ত্তী says:

    অসাধারণ প্রবন্ধ –
    লেখক লিখেছেন “গভীর নিষ্ঠা সহকারে প্রকাশনার কাজটি করার জন্য ইলিনা সেনের তাই অসংখ্য সাধুবাদ প্রাপ্য” – আর পাঠক হিসেবে আমি বলব যে এই প্রবন্ধটির জন্য লেখকেরও অজস্র সাধুবাদ প্রাপ্য! অতি সুলিখিত প্রবন্ধ এটি – পড়ার পরে ‘প্রগতিসংহার’ ও পড়েই ফেললাম অনলাইন রচনাবলী থেকে ।
    দীপকবাবু ওনার লেখায় অমিতা সেনের জীবনের যে ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন , অপার কুশলতা অথচ আপাত নিরাসক্তির মধ্যে দিয়ে, তাতে আমরা ওনার গভীর অনুভবের পরিচয় পাই। প্রবন্ধটি পড়া হবার পর খুবই মুগ্ধচিত্তে লেখকের বিশদ বিবরণ দেখতে গিয়ে আবার চমকিত হলাম। বিইকলেজে আমাদের স্ট্রেন্থ অফ মেটিরিয়ালের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় স্যার ছিলেন ডিএসজি – ইনিই কি সেই ডিএসজি? আফশোষ হচ্ছে ভাবতে যে এই মানুষগুলো কে সময় থাকতে চিনি নি কেন?
    অবসর-কে ধন্যবাদ এমন অতি উচ্চদরের লেখা পড়ার সুযোগ করে আমাদের মত অমনোযোগী পাঠকের মনের দরজা খুলে দেবার জন্য

  2. ঋজু গাঙ্গুুলী says:

    অসামান্য, অসাধারণ, এইসব বিশেষণ ব্যবহৃত হতে-হতে শুয়োরের মাংস হয়ে গেছে (সৌজন্যে জীবনানন্দ), কিন্তু এই লেখাটা নিয়ে আর কোনো বিশেষণ মাথায় আসছে না! সত্যি বলছি।
    শান্তিনিকেতন দেখলে আজ বোঝা যাবে না, তার রাঙা ধুলোয় মিশে আছে কত তেজ, কত প্রতিভার দ্যূতি, কত ঝরা ফুলের গন্ধ। বাঙালির স্মৃতি বড়োই দুর্বল, তাতে এই হারিয়ে যাওয়ার কৃষ্ণকলির কথা নিয়ে মাথাব্যথাই হওয়ার কথা নয় কারো।
    কিন্তু সেই মানুষটি আমাদের সামনে কিছুক্ষণের জন্য চলে ফিরে বেড়ালেন, তাঁর কন্ঠস্বর ঝরা বকুলের কান্না হয়ে ব্যথিল আমাদের বাতাস, শুধু এই লেখাটার মাধ্যমে।
    ধন্যবাদ, এবং বিজয়ার প্রণাম রইল।

    • D Sengupta says:

      আপনাকেও শুভ বিজয়ার অভিনন্দন। উৎসাহিত করার জন্য ধন্যবাদ।

  3. Anonymous says:

    ঈশানচন্দ্র সেন-এর পৌত্রী অমিতা সেন-এর পিতা ক্ষিতীশচন্দ্রের পদবী???

    • D Sengupta says:

      ইলিনা সেন জানিয়েছেন ……”ঢাকায় যৌথ পরিবারে অনেক পরিজন। গৃহকর্তা অমিতার ঠাকুরদা ঈশানচন্দ্র সেন, ঠাকুমা, জেঠিমা, পিসি হেমবালা সেন, বাবা-মা ক্ষিতীশচন্দ্র আর সুহাসিনী। ……”

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>