“এ পথে আমি যে গেছি বারবার -”

“এ পথে আমি যে গেছি বারবার -” এ খেলায় জিত মানে সোনার মেডেল নয়, পোডিয়ামের আপেক্ষিক উচ্চতা নয়, দু’হাতে আঁকড়ে ধরে পরমাকাঙ্খিত ট্রফিতে গভীর আশ্লেষে চুম্বন নয়, বা স্টেডিয়াম-ভর্তি জনতার হাততালির পায়রা উড়িয়ে দেওয়াও নয়। এমনকি জিত মানে শুধু প্রাণটুকু নিয়ে বেঁচে ঘরে ফেরবার নিশ্চিতিও নয়। বরং জিত মানে নিঃসীম একাকীত্ব, শুধু কানের পাশে নীহারবিন্দুবাহী সুতীক্ষ্ণ বাতাসের অভিবন্দনা।…
প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য্য

This entry was posted in Games. Bookmark the permalink.

47 Responses to “এ পথে আমি যে গেছি বারবার -”

  1. MRINMAY DUTTA says:

    কোনো কোনো লেখা পড়তে পড়তে চোখের কোণ কোন এক অজানা কারণে ভিজে যায়, আজ আমার সেই দশা….

  2. সুপ্রিয় দেব says:

    অনবদ্য লেখা, অনেক তথ্যবহুল , মনটা রিফ্রেশ হয়ে গেল। জাস্ট মাসখানেক আগে হেড্রিয়ান ভিলা ঘুরে এলাম (টাসকানি, ইতালি), তখন ও জানতাম না উনি সর্বপ্রথম এই নেশাতে মেতে ছিলেন, মাউন্ট এটনা র সামিট ছুঁতে পেরেছিলেন। আমার বিশ্বাস এই লেখা পড়ে আজকের ইয়ং জেনারেশন হিমালয়ের প্রতি আরো বেশি উৎসাহ দেখাবে স্মার্ট ফোন ছেড়ে, কারন হিমালয় মানুষজনকে মাথা উঁচু করবার অপরচুনিটি দেয় আনলাইক স্মার্ট ফোন।

  3. স্নেহাংশু চক্রবর্তী says:

    স্বাদু লেখা। হিমালয়ের পথে তীর্থযাত্রা বা ব্যবসাবানিজ্যেএর হাত ধরে হাই অলটিচুড ট্রেকিং এর ইতিহাস খুবই পুরোন। এর কিছু আলাপচারিতা লেখায় পেলে ভালো লাগত।

  4. mrigana choudhury says:

    A very rarely discussed topic with full of information, reveals the expertise and the passion of the author .

  5. গোরাচাঁদ চৌধুরী says:

    এত পড়াশোনা, এত খেটে একটা লেখা যিনি ই- ম্যাগাজিন এর জন্য লেখেন, তিনি আরো কত পরিশ্রম করতে পারেন, বা পড়তে পারেন, বোধের বাইরে।

  6. সৌরভ মজুমদার says:

    এককথায় বলতে গেলে, খুব মূল্যবান একটি প্রবন্ধ। তথ্যে আর আবেগে সমৃদ্ধ। একবার তো ধীরে সুস্থে অনুধাবন করে পড়লামই, আবার ফিরে পড়ব পরে। এরকম লেখা অবসরের অলংকার। বড় কাগজের রবিবাসরীয়তে বেরোবার মতো মর্যাদাসম্পন্ন এ লেখা, মনে হচ্ছিল আমার।

  7. Tanusankar says:

    Pradipa babu, have had the pleasure of devouring some of the remarkable classics on mountaineering, albeit all in English. Your brief account of the genesis of the sport touches soul and compells me for a look out of a good rucksack again, to breath a thin air! Arro likhun. Opekhae roilam.

  8. Himadrish Chatterjee says:

    তথ্য ও তত্ত্বের সুচারু বন্ধনে গঠিত এই প্রবন্ধটি পাঠমুগ্ধ করে। পর্বতপ্রেমী লেখকের আবেগ ও উষ্ণতার স্পর্শ লেখাটির উপরি পাওনা। প্রকাশককেও যথোপযুক্ত ধন্যবাদ জানাই। পত্রিকার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি।

  9. Arimdam Bhattacharya says:

    Excellent work. A Comprehensive and detailed account of mountaineering history.

  10. Arghya Choudhury says:

    বন্ধুবর, লেখার সময় টুকরো আলোচনাতেই অনেক সমৃদ্ধ হয়েছিলাম, কিন্তু লেখায় সেগুলো,কোথাও ছুঁয়ে যাওয়া, কোথাও বা একেবারেই উল্ল্যেখ নেই। সেকি পরিসরের অভাব না ইচ্ছাকৃত মেদ বর্জন বুঝলাম না।যদি তোমার হিসাবে মেদ বর্জন হয় তবে তা আমাদের সমৃদ্ধ হওয়ার পথের বাধা, ক্ষতিই বলা ভাল, কাজেই রাধানাথ শিকদার কে উপেক্ষা করা ঠিক হয়নি ভায়া,আরও বড় পরিসরে লেখা চাই,চাই ই।

    • Anonymous says:

      রোম সম্রাট হ্যাড্রিয়ান এর সিসিলি দ্বীপের “এটনা”শৃঙ্গে বসে সূর্যদয় দর্শন থেকে শুরু করে লেখক একে একে বৃহত্তর পরিসরে পর্বত অভিযানের ঐতিহাসিক তথ্যপরিবেশন করতে করতে যে ভাবে ২০১৭ সালের ৭,৩০০ জন অভিযাত্রীএভারেস্ট অভিযানে নাম লিখিয়েছেন ,,,বর্তাতমানের হালহাকিকৎ উপস্থাপন করেছেন অতীব সুচারু শবব্দ চয়নে ,,তাতে লেখক প্রবল মুন্সিয়ানারই দাবি রাখেন |বলতে দিধ্বা নেই সমগ্র লেখাটি স্কুলে পাঠ্যসূচী র আওতায় আনা উচিত| লেখাটি পড়ে সমৃদ্ধ হলাম,,অনেক শুভেচ্ছা ও অভিন্দন প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য মহাশয় কে| তবে পরিশেষে বলি যারা হিমালয় কে অন্যভাবে উপলব্ধি করেন ___”তার সাথে প্রেম হতে বা়ধা নেই কোনো, আছে ঈশ্বরধর্মীতা,আছে অতল হিমালয়ান পৌরুষের প্রতি সুতীব্র টান,এই টান একদা থেকে যায় পাহাড়ি ঘাসফুলে অথবা এই টানেই খুঁজে ফিরি তাকে প্রগাঢ় আকাশচারী উচ্চতায়|

  11. মৃগাঙ্ক দে সরকার says:

    যে কোন বিষয় নিয়ে সাবলীল ভাবে লেখবার দক্ষতা সবার থাকেনা। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য প্রায় যে কোন বিষয় এই লিখতে সমান পারঙ্গম। সেটা আবারও বোঝা গেল এই প্রবন্ধে। ওনার তোলা ফোটোগ্রাফ এর মতই প্রবন্ধটিও সমান ঝকঝকে, প্রায় আনপুটডাউনেবল। হিমালয় ভ্রমনের আহিংকা’র মতই ওনার এই লেখাটি পড়েও আহিংকা মিটলনা। প্যাশন আর লেখনীর এই চমৎকার কোলাজ আরও পাব, এই আশায় রইলাম।

  12. খুবই প্রামাণ্য লেখা। তথ্যপ্রমাণ এর ব্যাপ্তি মুগ্ধ করলো।পাহাড়প্রেমী দের কাছে এমন সমৃদ্ধ লেখার মূল্য অপরিসীম। ভাষাগুণে লেখক অচিরেই পাঠকের মনোযোগ আদায় করে নেন। শ্রদ্ধায় মাথা নত করি সেই অদম্য সাহসী পর্বতারোহী দের কাছে যারা জীবন বাজি রেখে,সেই পর্বতারোহণ এর প্রথম যুগে বারেবারে ছুটে এসেছেন পাহাড়ের টানে। এমন আরো লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  13. দেবশ্রী ভট্টাচার্য্য says:

    এত অজানা তথ্যসমৃদ্ধ একটা লেখাও এমন সাবলীল ভাষায় লেখা সম্ভব?লেখাটা খুব সময় নিয়ে পড়লাম।শেষটাও অসাধারণ।সেই কোডাক ক্যামেরাটা আর রুথের সাদা-কালো ছবিটা আজও রয়ে গেছে কোথাও..ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়।

  14. Debasish Roy says:

    দারুণ হয়েছে। খুব তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। বিশেষ করে এই ধরণের লেখার মধ্যে breathing space এর খুবই দরকার হয় যা এই লেখায় আছে।তবে একটা কথা, ম্যেলোরিকে আরো একটু জায়গা দেওয়া উচিত ছিল।তাহলে মনে হয় ভালো হোতো। সেই সঙ্গে রাধানাথ শিকদার সহ সেই সেই সঙ্গে হিমালয় জরিপ বিভাগের ইতিহাস খানিকটা থাকলে ভালো হোতো বলে মনে হয়।

    • Anonymous says:

      হ্যাঁ, সঠিক কথা। রাধানাথ সিকদার এ গপ্পের শুরুতেই থাকবেন। ছিলেনও তাই। শেষ অবধি আমি তাঁকে এখানে রাখিনি কয়েকটি কারণে। তার প্রথমটা হল লেখার কলেবর। পরবর্তী কোন সুযোগে বড় গপ্পটা শোনাবার ইচ্ছে আছে। যদি ধরিত্রীর দেবীমাতা আশির্বাদ করেন।

      • Pradipta Bhattacharya says:

        হ্যাঁ, সঠিক কথা। রাধানাথ সিকদার এ গপ্পের শুরুতেই থাকবেন। ছিলেনও তাই। শেষ অবধি আমি তাঁকে এখানে রাখিনি কয়েকটি কারণে। তার প্রথমটা হল লেখার কলেবর। পরবর্তী কোন সুযোগে বড় গপ্পটা শোনাবার ইচ্ছে আছে। যদি ধরিত্রীর দেবীমাতা আশির্বাদ করেন।

      • Pradipta Bhattacharya says:

        আপনার নামটি আসেনি, কেবল anonymous এসেছে। তবে অনেক ধন্যবাদ।
        আপনার শেয়ার করা লিঙ্কটি আমি আগেও পড়েছি। বস্তুত, আমার এই লেখাটি একটি অন্য লেখার সামান্য অংশবিশেষ, পর্বতারোহণ ওই লেখাটির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ঠিকই, কিন্তু মুখ্য উপজীব্য নয়। মূল লেখাটি আমি লিখতে শুরু করি গত বছর পুজোর ছুটি থেকে। শেষ করেও যেন মনে হয়, হইল না শেষ, আরো অনেক বলবার থেকে গেল। ফলে বারবার সম্পাদনা করি। তবে এবার শেষ হয়েছে।

  15. পার্থ প্রতিম কুন্ডু says:

    হিমালয়ের ইতিহাস, ভূগোল, তাঁকে নিয়ে চলে আসা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বা তাঁর নানান চূড়ায় অভিযানের কথা বলতে গেলে যেকোনো মহাকাব্যের থেকে তা কম হবে না বলেই আমার ধারণা।
    এহেন এভারেস্ট সামিট নিয়ে আপনার তথ্যসমৃদ্ধ খুব ছোট এই লেখনী পড়ে মনটা বেশ চনমনে লাগলো, মনের ভেতরে আবার বেরিয়ে পড়ার ডাক পেলাম।।

  16. debatra says:

    ঋদ্ধ হলাম।

  17. Anindita Mukherjee says:

    এই লেখাটি একবার নয়, বেশ কয়েকবার পড়লাম। অনেক অজানাকে জানলাম, অচেনাকে চিনলাম।এমন তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ আমাকে শুধু মুগ্ধ করলো বলবোনা, আমি যেন ওই পাহাড়ি পথের হাতছানি অনুভব করছি।

  18. Sanat Gupta says:

    অনবদ্য লেখাটা পড়ে পাহাড়ের অমোঘ আকর্ষণ অনুভব করছি। একাধারে পাহাড় সম্পর্কে বহু অজানা তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হলাম ও অন্যদিকে ম্যালোরির তার স্ত্রীর প্রতি ভালবাসার নিদর্শন পড়েও রোমাঞ্চিত হলাম। সত্যিই ওই কোডাক ক্যামেরাটা বা রুথের সাদা কালো ছবিটি পাওয়া গেলে পাহাড়ের ইতিহাস কতটা বদলে যাবে তা ভেবেই রোমাঞ্চ লাগে। পরিশেষে এই লেখার জন্য লেখকের আন্তরিক পরিশ্রমকে কুর্ণিশ জানাই ও ভবিষ্যতে আরো অনেক এমন লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  19. Samarpita Sarker says:

    অনবদ্য তথ্যসমৃদ্ধ লেখা। তবে পাহাড়ে চড়ার নেশাড়ু হতে গেলে প্রথমে তো হবি ক্লাইম্বার হতেই হবে, নইলে নেশার আস্বাদনই তো নাগালের বাইরে থেকে যাবে। আরেকটা কথা, “অকৈতব” শব্দের অর্থ যদি বলেন তাহলে জানা হয়ে যাবে।

    • Pradipta Bhattacharya says:

      অনেক ধন্যবাদ।
      অকৈতব অর্থ ‘কৈতব’ বা ছল নেই এমন, অর্থাৎ ছলনাহীন, অকপট।
      এখানে বলতে চেয়েছি, মানবের চিরন্তন অন্বেষার কথা।

  20. Sudipto Roy says:

    Seems like an expert mountaineer’s diary – a reminisce of a soul that found solitude and defeated defeat… lovely read! Keep your ink pot full…

  21. Sasswata Bhawaĺ says:

    Ashadharon lekha dada ,ro lekho

  22. Goutam Roy says:

    Khub somriddho holam .erokom lekhai chain.

  23. Tulip Biswas says:

    Paharer j ojana dik achhe ,janai chhilo na ,Porte Porte nijeke ovijatri Mone hochchhilo ,atotai sundor bornona ,tothyer chape kakhono lekhar goti haraini.asamanyo .

  24. শঙ্কর ধর says:

    আমিও অপেক্ষায় থাকলাম কে সত্যি প্রথম এই সর্বোচ্চ শৃঙ্গে পা রেখেছেন তা জানার জন্য… তথ্য সমৃদ্ধ লেখাটা পরে নিজে সমৃদ্ধ হলাম… ধন্যবাদ প্রদীপ্তদা…

  25. Pradipta Bhattacharya says:

    ধন্যবাদ শঙ্কর। এ ব্যাপারে আরো লিখবার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে।

  26. Basudha Mukherjee says:

    অসাধারণ লেগেছে ! এ যেন কালের কপোলতলে আরেক বিন্দু নয়নের জল !

  27. Anonymous says:

    Gripping article……….a classic piece which is both informative and entertaining at the same time.

  28. Anonymous says:

    Tothyo samriddha lekha…Amader moto home maker der kachhekhanik ta a-loukik i bote !!Dudher swad ghole mete na thik i…tobu khanik ta abhaas to pawa jaae…likhte thakun.

  29. Anonymous says:

    Pradiptada…
    Arghyo dar barir samne tomar sathe dakha hoyechhilo…
    Anobadyo lekhani…
    Tobe aro bohubar porte hobe……

  30. Swati Biswas says:

    Very informative and enjoyable writeup. I was not sure about the author’s viewpoint regarding Mt Everest. While it is probably not desirable to be very crowded we cannot limit others from enjoying. Perhaps, the policy should mandate certain rules and disciplines so that the natural beauty is not tainted. We just visited a national park in the US which was very crowded, but didn’t see a single cigarette butt or a plastic anywhere. So, it comes down to when we face nature, we extend the courtesy of respecting the beauty and preserve it. It is a common practice for groups going to wilderness to follow “leave no trace”, so everyone carries their trash with them. Like to see those discussions in the future articles.

    • Pradipta Bhattacharya says:

      Thanks Swati.
      My point is nothing unique you see!.. Just to visit the place with respect and reverence for natural norms set by Mother Earth.
      But the case of Mt. Everest (and many other ecologically fragile regions particularly in Third World) perhaps painfully betrays violation the that reverence in an alarming scale. The high visitation rate of the highest peak when plotted against those of other eight-thousander peaks, clearly transpires that only love/passion for mountains (or nature, in general) is not the only cause of such high rate.

  31. subhamoy ghosh says:

    Excellently Written…..Short, precise and to the point. Some points are raised very aptly. Time has changed and technology has made us developed in many ways. So, Mt.Everest, be it the tallest crest on this earth, is also not spared. Would like to mention two statistical point, though it has nothing to do with the matter of the article, its excellent in anyway. 1. Anshu Jamsenpa is the first woman in the world who scaled the summit of the Mount Everest twice in a season and in just within 5 days….can or could anyone ever imagine this, that too a mother of two children ?? 2. In the accident part written, Paresh Chandra Nath of Durgapur who died during his summit approach during 2016 Everest Expedition, his mortal body has been recovered and brought down to Durgapur after one year.

  32. Pradipta Bhattacharya says:

    Thanks Dada. Your words are extremely encouraging to me.
    Actually, its only a part of a more detailed work on the same topic, which I initiated almost a year ago. I have plans to be in touch with you to complete that work. Your inputs would be valuable and direly needed to reach any level of comprehensiveness on this topic.
    Of course, Anshu Jamshenpa on her own spirit claims a special mention, and also Arunima Sinha, the first female amputee on Everest. They are duly there in my original work.
    And. about Paresh Nath, I’ve already shared with you that I didn’t know that his body has been recovered, as I knew about Goutam Ghosh of Barrackpore. I only came to know about Paresh babu’s case from your instagram post.

    Anyway, thank you once again.

  33. Soumyakanti Jana says:

    বন্ধু, এমন লেখা পাঠ করা মানে অন্তরে এক তীব্র তৃপ্ত অনুভূতি। এমন অনবদ্য লেখা তোর লেখনিতে অপ্রত্যাশিত নয়। ম্যালোরির অভিযান নিয়ে আরও একটা লোমহর্ষক লেখা তোর কাছে আমার দাবি।

    • Pradipta Bhattacharya says:

      তোর মতামত আমায় প্রাণিত করে ভাই। তোর ইচ্ছেমতই আমি একটি বড় কাজে হাত দিয়েছি। আশা করি যুক্তিগ্রাহ্য সময়ের মধ্যে শেষ করে উঠতে পারব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>