পাশে আছে জুড়িদার, ‘হবে জয়’

পাশে আছে জুড়িদার, ‘হবে জয়’ – দোসরা এপ্রিল, ২০১১। ওয়াংখেড়ের সেই অবিশ্বাস্য মায়াবী রাত। সদ্য দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ক্রিকেট জিতে উঠেছে ভারত। ঐ তো যুবরাজ,কোহলি,সহবাগরা বাঁধনছেঁড়া উল্লাসে মত্ত। ঐ যে ধোনি। একটু আগে একটা চরম আত্মবিশ্বাসে ভরা ম্যাচ উইনিং হেলিকপটার শট নিয়ে তুমুল হর্ষধ্বনির…
অনীশ মুখোপাধ্যায়

This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

14 Responses to পাশে আছে জুড়িদার, ‘হবে জয়’

  1. Debabrata Das says:

    Anish babu, your article has reminded me of two sports personalities -1)Denis Compton and our own 2) Chuni Goswami. Compton had represented England in 78 test matches and played 1st Divn.football representing Arsenal. Chuni, as everybody knows,is a legendary Indian footballer. At the same time he captained Bengal in Ranji Cricket during the golden years of Bengal cricket. He even led the east zone in Duleep trophy final. They were really versatile and used to walk comfortably in cricket as well as football field.
    In writing, you are no less than them.

  2. Rakeh Sarkar (Popularly known as Bubai Mona in fb☺) says:

    AnishDa, darun..just etuku bolboi ei ek prashno jokhn theke ami gyaan hoyeche tennis ba cricket bujhte sikhechi kare esechi..keno amra singles e pari na? Kiser ovab? Stamina, temperament, eco -socio obsotha ..jani na ki er jonno dayo..tomar bisleshan khamata darun..aro chai comfort zone er baire giye lekha..valo theko visan..

  3. গোরাচাঁদ চৌধুরী says:

    দুটো তিনটে কথা বলতে ইচ্ছে করছে। লিয়েন্ডার ৪২ এও খেলছে কারণ ওর শারীরিক সক্ষমতা। এটা ব্যতিক্রম ধরাই ভালো। আর সিংগলস খেলে না বলেই পারছে। তবে এই ধরনের ভীষণরকম শারীরিক লড়াই এর খেলাগুলোর জন্য যেধরনের শারীরিক বৈশিষ্ট্য থাকাটা আদর্শ, ভারতীয়রা ঐতিহাসিক ভাবেই সেগুলো থেকে বঞ্চিত। এটা কিন্তু মাথায় রাখা দরকার। দ্বিতীয়ত, যতদিন না মাসস্কেলে ভারতীয় বাচ্চারা এটা খেলতে পারছে, ততদিন অপেক্ষা করতেই হবে। আর যে খরচের হিসেব পড়লাম, তাতে কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের বা সাউথ ক্লাবের কোচিং সেন্টার ছাড়া আপাতত গড়িয়া বা রামরাজাতলাতে এ খেলার তাঁবু পড়ার কোনো আশা দেখছি না। অধুনা ভারতীয় ক্রিকেটের সাফল্যের ছবিতে এই বিষয়টির প্রভাব লক্ষণীয়। লেখাটা পড়ে বেশ ভালোই লাগলো।

    • Anish Mukhopadhyay says:

      লিয়েন্ডার ৪২-এও খেলেছেন সেটা আমার মনে হয় খানিকটা শচীনের মতন ব্যাপার।কে ওকে বাদ দিতেন এই ২০১৭-এর ডেভিস কাপের আগে?আর শারীরিক সক্ষমতা কেবল ডাবলস চালিয়ে দেওয়ার মতন -এটা আজ নয় বরাবরই তাই।আগাসির মন্তব্য থেকে সেটা আরো পরিষ্কার। ভারতীয়দের শারীরিক গঠন এমনই-এটা একটা কারণ নিশ্চয়। কিন্তু তার থেকেও বেশি হচ্ছে লিয়েন্ডার ডেভিস কাপ ছাড়া আর কোথাও নিজেকে সিংগলস খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতেও বাড়তি চেষ্টা করেননি।অন্তত তিনি চেষ্টা করে গেলে কিছুদূর যেতেন-এমন আশাবাদের কারণ দেখি।
      পরের পয়েন্টটা একেবারেই বাস্তব। উন্নত দেশে বাচ্চাদের ৪-৬ বছর বয়সে তাদের ভবিষ্যৎ কী হবে,কোন খেলায় তারা যাবে এসব ঠিক করে দেওয়া হয়।স্টেফি গ্রাফের চার বছর বয়সের র‍্যাকেট হাতে ছবি দেখেছিলাম।ভারতে এই চিত্র আজকের আইপিএল সর্বস্বতার যুগে ভাবাই অসম্ভব।

  4. সৌরভ মজুমদার says:

    অনীশোচিত তথ‍্যখনন আর তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ এই লেখাতেও বিদ‍্যমান। ভাববার মতো একটা লেখা। লেখকের সঙ্গে একমত যে, যথেষ্ট আর্থিক পৃষ্ঠপোষণা ছাড়া এখনকার টেনিসে উচ্চতম পর্যায়ে আরোহণ সম্ভব নয়। ফেডেরারদের সাপোর্ট টিমে মনোবিদ পর্যন্ত থাকে। আমার নিজের মনে হয়, সানিয়ার মধ‍্যে শীর্ষ স্তরের সিঙ্গলস প্লেয়ার হওয়ার ক্ষমতা ছিল, কিন্তু ও পর্যাপ্ত সাপোর্ট পায়নি।

    • Anish Mukhopadhyay says:

      অনেক ধন্যবাদ সৌরভদা।
      আমি আপনার সংগে পুরোটাই সহমত।

  5. Saumyanil says:

    অনীশ, সত্যি ভালো লিখেছো। আমি টেনিস বিশেষ বুঝি না, কোনোদিন খেলিও নি – তবে দেখতে ভালো লাগে। তোমার প্রশ্ন আমারো ছিলো, আছে। বিশ্লেষণ টা ভালো লেগেছে।

  6. Anirban Datta says:

    অনীশ: টেনিসের এক অন্য দিক তুলে ধরলে, অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে।

  7. Uday Narayan De says:

    Your style has resemblance with that of late Moti Nandi and presentation reminds me Goutam Bhattacharya. You have introspective mind and logical analytical power. I read between the lines and enjoyed every paragraph. I expect you will be one of the most powerful writers in near future. Please keep up the spirit. You have thrown light from a different angle. It is a masterpiece.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>