জীবনের ‘ম্যারাথন’ –

জীবনের ‘ম্যারাথন’– দুই অতিথি সম্পাদক চাপ দিয়েছেন খেলার বিশেষ সংখ্যায় লেখার জন্যে, অথচ এই সংখ্যায় লেখার ব্যাপারে আমার থেকে অযোগ্য লোক আর কেউ আছে কি না জানি না। ছেলেবেলা থেকেই স্পোর্টস থেকে শতহস্ত দূরে। না, কথাটা ঠিক সত্যি নয়। বাণীপুরে শিশুনিকেতনে ক্লাস থ্রি-ফোর-এ পড়ার সময় দু’বার স্পোর্টসে দৌড়েছিলাম। …
সুজন দাশগুপ্ত

This entry was posted in Games. Bookmark the permalink.

13 Responses to জীবনের ‘ম্যারাথন’ –

  1. Pratyusha says:

    কত খ্যাতনামা (হতেই পারতেন) ব্যক্তিত্ব এভাবেই অখ্যাতির আড়ালে চলে যান ।
    ঘনশ্যাম অধিকারীর মতন এমন লেজেন্ডারি ইন্সপিরেশন কে আলোর বৃত্তে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ ।

    • সুজন দাশগুপ্ত says:

      ধন্যবাদ আপনাকেও…পড়ে মন্তব্য করার জন্য।

  2. তনুশ্রী চক্রবর্ত্তী says:

    সুজন দাশগুপ্তের লেখার ভক্ত নন এমন কাউকে পাওয়া দুষ্কর! ওনার লেখার জন্য চাতকের হাহাকার লেগেই থাকে পাঠক মহলে। এই লেখাটি পড়ে খুব উদ্বুদ্ধ হলাম। এটা যেন ঠিক খেলা নিয়ে লেখা নয়, এটা আমাদের শিখিয়ে গেল আরো অনেক কিছু। এবং ওনার সরস ছোঁয়ার মিডাস টাচ তো সবসময়েই লেখার শেষে পাঠকের ঠোঁটের কোনে উপহার দিয়ে যায় এক তৃপ্তির হাসি।

    সুজনদাকে অনুরোধ, আপনার লেখা আরো ঘন ঘন পেতে চাই। প্লিজ খুব বেশীদিন অন্তরালে থাকবেন না আর পাঠককে বঞ্চিত করবেন না
    অনেক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছাসহ
    তনুশ্রী

    • সুজন দাশগুপ্ত says:

      অনেক ধন্যবাদ তনুশ্রী যাদবপুরের এইসব কাহিনি পড়ার জন্য। তারওপর তুমি তো আবার বি ই কলেজের মেয়ে! এসব কী কথা… পাঠকদের বঞ্চিত করা…ইত্যাদি!
      ভালো থেকো।

  3. সূর্যনাথ ভট্টাচার্য says:

    এ লেখা ছাপা না হলে অবসর পড়া বন্ধ করে দিতাম।
    একাত্তর বছরে অ্যান্টার্ক্টিকায় ম্যারাথন! উফ্‌… এই লোকগুলো সব কোথায় চলে গেল সুজনদা?

    • সুজন দাশগুপ্ত says:

      আজকেই ঘণ্টিদার ইমেল পেলাম। এখন বাংলায় ‘অ্যান্টার্ক্টিকায় ম্যারাথন’-এর বৃত্তান্ত অবসর-এ লিখবে বলে অভ্র-শেখার ম্যারাথন সুরু করেছে। বেঁচে থাকুক ওর উদ্যোগ।

      • Bhaskar Bose says:

        সূর্যদা,
        চিন্তা কর দুই সম্পাদক প্রায় হাতে পায়ে ধরে মহা সম্পাদককে লিখতে রাজি করিয়েছে। এমনকি নামকরণ ও তাদের উদ্যোগেই।

  4. Manas says:

    Darun sundor lekha…

  5. Anish Mukhopadhyay says:

    আরো একটা গল্প পড়লাম।
    এভাবেও যে খেলা নিয়ে লেখা যায় তা এই লেখা না পড়লে অজানাই থেকে যেত।
    দুই অতিথি সম্পাদক ভাগ্যিস বলেছিলেন!
    লেখাটা পড়ে একটা কথাই মনে হল।
    এতদিন ধরে খেলা নিয়ে কী-সব যে লিখে গেছি!কেনইবা?
    ভাল থাকুন আর এমন মণিমুক্তো উপহার দিন।
    সশ্রদ্ধ

    • সুজন দাশগুপ্ত says:

      খেলা নিয়ে ভালো লেখা তোমাদেরই…আমার হল গালগল্প!

  6. পল্লব চট্টোপাধ্যায় says:

    ‘অবসর’ পড়ার জন্যে কিছুটা অবসরের সন্ধান করতেই হয়। তবে যদি হয় সুজন, না পড়ে থাকে ক’জন! একটা সত্যি সত্যি ভিন্নস্বাদের লেখা, যেগুলো পড়লেই দৈনন্দিন জীবনের খুচরো সমস্যাগুলো সাইডলাইনের বাইরে চলে গিয়ে মনটা ভাল হয়ে যায়।

  7. সুজন দাশগুপ্ত says:

    অনেক ধন্যবাদ, পল্লব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>