স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

স্বপ্নের ফেরিওয়ালা – আমার ছোটবেলার একটা বড় সময় জুড়ে ছিল আমার ঠাম্মা আর দিদু। সারা সপ্তাহ ঠাম্মার হেফাজতে থাকলেও শনি-রবিবার দিদুর কাছে ঘাঁটি গেড়ে বসাটা মোটামুটি নিয়মিত অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। দু-জনের বাচ্চা রাখার ধরন ছিল দুই মেরুর। ঠাম্মা দুপুরবেলায় কোলের কাছটিতে শুইয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে গল্প শোনাত যত ভূত-পেত্নী-দত্যি-দানোর আর দিদু…
ঈশানী রায়চৌধুরী

This entry was posted in Games. Bookmark the permalink.

7 Responses to স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

  1. সৌরাংশু says:

    অনেকগুলো ভাল লাগা বই। অনেক যত্ন নিয়ে তুলে নিয়ে আসা। পাঁজরগুলোয় হাত বোলাতে দারুণ লাগল। কিন্তু প্রথং অংশটা একটু সংক্ষিপ্ত হলে মন্দ হত না। ভালো লেখা যদিও।

  2. Anirban Datta says:

    পড়লাম। একবার পড়লাম। দু বার পড়লাম। বার বার পড়লাম।
    মনে পড়ে যাচ্ছিলো নিজের শৈশবে বা কৈশোরে অথবা যৌবনের প্রথম দিকে যখন মতি নন্দীর এইসব কালজয়ী উপন্যাস প্রথমবার পড়ে ছিলাম তখনকার গায়ে কাঁটা জাগানো অনুভূতি। এর মধ্যে বিশেষ করে এসে যায় ‘জীবন অনন্ত’র কথা। যদিও ‘নারান’ বা ‘ফেরারি’র প্রকাশকাল ‘জীবন অনন্ত’র পরে, কিন্তু এই লেখা শেষ হয়েছে ‘জীবন অনন্ত’ দিয়েই। এর থেকে ব্যাঞ্জনাময় বোধ হয় আর কিছুই হতে পারতো না। ‘জীবন অনন্ত’ তো শুধু ক্রিকেট কে কেন্দ্র করে লেখা এক উপন্যাস নয়, স্কুলের শেষের দিকের এক বা বহু কিশোরের জীবনের প্রতিচ্ছবিও, যে বা যারা কিনা ফাস্ট বোলার হতে চেয়েছিলো।

  3. Shyamali says:

    দুর্ভাগ্য বশত আমার জন্ম ১৯৭১সালে। সেটা আমার হাতে ছিলোনা। কিন্তু কমল গুহ, কোনি, তুলসী ও আরো অনেকেই আমার খুব কাছের লোক। আপনার লেখা পরে নতুন করে স্মৃতিচারণ করতে বসলাম। অনবদ্য একটি রচনা।।

  4. পল্লব চট্টোপাধ্যায় says:

    যাঁরা নেভিল কার্ডাস পড়ে ভাবতেন যে গল্প বা সাহিত্য হয় শুধু ক্রিকেট নিয়েই, তাঁদের উত্তরপুরুষদের মতি নন্দী নিয়ে গেলেন সম্পূর্ণ অন্য এক দুনিয়ায়, যেখানে খেলা নয়, খেলোয়াড় নয়, নায়ক হচ্ছে খেলোয়াড়সুলভ মনোবৃত্তি, জয়ের অদম্য জেদ আর তার পাশাপাশি খেলা থেকে বৃহত্তর মানবতায় উত্তরণ। সাহিত্যের দরবারে প্রায় ব্রাত্য এই ক্রীড়াজগতকে যাঁরা নিয়ে এলেন বাংলা সাহিত্যজগতে মর্যাদার উঁচু ধাপে, তাঁদের শীর্ষে থাকা এই ক্রীড়াবিদ্‌ লেখককে নিয়ে সত্যিই একটা সেরা লেখা পড়লাম।ধন্যবাদ ঈশানী।

  5. Ishani says:

    সব লেখা লিখে সমান তৃপ্তি হয় না | এই লেখাটি লেখার তাগিদ মনের ভেতর থেকে এতই প্রবল ছিল, যে না লিখে পারিনি | আমি সত্যিই লিখে আনন্দ পেয়েছি | যাঁদের পড়ে ভালো লেগেছে, সৌরাংশু-অনির্বাণ-শ্যামলী-পল্লব, তাঁদের অজস্র ধন্যবাদ জানাই |

  6. arun ain says:

    aanandomela pujo sankhya niye je kotha likhechhen se aamar mon theke churi kora kotha. sottee jara se sob sankhya poreni tader durvagyoer jonyo kosto hoe. aar moti nandi. aanandomelar mul aakorshon chilen moti nandi. bangla choto golpe tar obdan konodin mlan hobar noy. bangla kishor sahitye ek natun prithibir haoa boie diyechhilen tini. sei swad sei gondho aajo vola galo na.
    aapnar lekhar aami adyonto vokto. jekhane ja kichu pai aapnar lekha aami kachie pori. ektuo pate pore thakena. aapnar moto smart godyokar chokhe poreni. ( jodi sahos dento boli, eto smart godyo ki sottee bangla sahitye lekha hoechhe aage!) aamar dharona chhilo hridoygrahi lekha narom matite chas hoe. aamar se dharona je koto boro vul ta aapni aamake bar bar boro momotae bujhechhen. robinddranather budhhir chomok aapnar godye. ki anayas tar goti, ki anabil tar madhurjyo. ki dhadhano tar dyuti! aapnar ekta purnango uponyas porte ichha hoe. aapni shoto borsho jibito thakun! aamader aando bordhon korun!

  7. Ishani says:

    অরুণবাবু , আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ আর আন্তরিক কৃতজ্ঞতা …আমার লেখাটি পড়ার জন্য | আর বাকি যা লিখেছেন আমার লেখা প্রসঙ্গে , সত্যিই লজ্জায় মাটিতে মিশে গেছি !

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>