ফরগেট-মি-নট

ফরগেট-মি-নট - ১৯৪৯। পড়ছি ঢাকা কলেজে। ইংরেজি ক্লাস। কবিতা পড়ান আজহার স্যার, ওরফে আজহার হোসেন। সর্বদা স্যুট-টাই পরে কলেজে আসেন। এক স্যুট পর পর দু’দিন পরেন না। স্যুটের ভাঁজ সর্বদা পরিপাটি। দীর্ঘ, ঈষৎ কোঁকড়ানো, চুল ব্যাকব্রাশ করা। হাঁটেন দ্রুত, দেহ সামনের দিকে বেশ কয়েক ডিগ্রী ঝুঁকিয়ে। পড়ান শেলী কীটস ওয়ার্ডসওয়ার্থ ।…
মাহফুজুর রহমান

This entry was posted in Reflections. Bookmark the permalink.

7 Responses to ফরগেট-মি-নট

  1. Anonymous says:

    খুব সুন্দর লেখাটি,মুগ্ধ মাধুর্যে মায়াময় পরিমণ্ডল সৃষ্টি করেছে।লেখককে অনেক শুভেচ্ছা।

  2. Keya Mukhopadhyay says:

    খুব আন্তরিক স্মৃতিচারণ। ভাল লাগল।

  3. Ishani says:

    খুব ভালো লাগল পড়ে | আর পড়ার ইচ্ছে রইল ‘কত ঘরে দিলে ঠাঁই’ বইটি | আশা করি লেখকের কাছ থেকে অবসরের পাঠকরা আরও অনেক লেখা পাবে |

  4. Mahfuzur Rahman says:

    লেখাটি আপনাদের ভাল লেগেছে জেনে সুখী হলাম। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ।

  5. Suprabhat Mukhopadhy, Asansol. says:

    বেশ হৃদয় গ্রাহী লেখা, তাই অনুরোধ’ অবসর’কে ভুলে যাবেন না যেন!

  6. Hasan Mahmud says:

    শব্দচয়নে, বাক্যবিন্যাসে অত্যন্ত ললিত মসৃণ এবং নস্টালজিক নিবন্ধ। মনে করিয়ে দেয় কবিগুরু – জীবনের খরস্রোতে ভাসিছ সদাই ভুবনের ঘাটে ঘাটে, এক হাটে লও বোঝা, শূন্য করে দাও অন্য হাটে…..হায় রে হৃদয়, তোমার সঞ্চয় দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়….। “অধ্যাপক আজহার হোসেন চলে গেছেন। তাঁকে বলা হল না, সাতষট্টি বছর আগে তাঁর ক্লাসে যে ফুলটির কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছিলেন, সেটা এতদিনে আমার বাগানে। বন্ধু আজহারও চলে গেছে। ওকেও বলা হল না।” জীবনের সবচেয়ে নিগূঢ় কথাগুলোই বুঝি অনুক্ত থেকে যায়। লেখকের ‘কত ঘরে দিলে ঠাঁই’ বইটা আমি পড়েছি, অনন্য একটা উঠল পাঠাল আনন্দ-বিষন্ন ভ্রমণের রোলার কোস্টার। ফুলের ওপরে অজস্র ছবিসহ উনার বইটার মতো এতো সমৃদ্ধ বই আমার নজরে পড়েনি। প্রদীপের মতো লেখক কতজনের মানসকে আলোকিত করেছেন হয়তো নিজেও জানেন না। শ্রদ্ধা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>