ফিসফাস কিচেন- আম রাজত্ব

ফিসফাস কিচেন- আম রাজত্ব – কদিন আগেই মুখবইতে বোধহয় কারুর একটা উক্তি দেখলাম- আমাদের সময় আম, কাঁঠাল, জাম, জামরুলই ছিল দেশজ ফল। আপেল কমলা গরমকালে তো ছিলই না… বা এরকম টাইপের কিছু। বস্তুতঃ বাঙালির প্রাণের কাছাকাছি খাবারগুলোর মধ্যে আলু বা পোস্ত দুটোই ঠ্যাহরালো পরদেশি।…
সৌরাংশু

This entry was posted in Cooking, Culture. Bookmark the permalink.

13 Responses to ফিসফাস কিচেন- আম রাজত্ব

  1. Anonymous says:

    সত্যি! সৌরাংশু নোবেল প্রাইজ পেয়ে যেত যদি আমের ওপর গবেষনার জন্য প্রাইজ থাকত। সৌরাংশু যদি কিছু সত্যি আমাদের এ রকম আম খাওয়ায়, তা হলে নোবেল কমিটিকে সুপারিশ করা যেতে পারে। কি বলেন, সবাই??

  2. Ramkrishna Bhattacharya Sanyal says:

    আম নিয়ে লেখাটা, আম দরবারে এনেছে সৌরাংশু ।
    লেখাটা দীর্ঘ হলেও, পড়ে আনন্দ পেলাম । লেখক নিজেই বলেছেন – কোনো কিছু বাদ গেলে বলতে ।
    তাই দু একটি কথা ।
    পশ্চিমবাংলায় মালদা এবং মুর্শিদাবাদে আমের ফলন প্রচুর ।
    পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র- বাংলাদেশের রাজশাহীর আমও ভৌগলিক কারণে, মালদা এবং মুর্শিদাবাদের কাছে হওয়ায়, এখানে বিভিন্ন রকম আম হয় যা স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় ।
    এপারে, মালদার আম সংখ্যায় বেশী আর মুর্শিদাবাদের আম- গুণগত মানে ।
    মালদার একটি আম, যাকে স্থানীয় ভাষায় কাউয়াচুষকী বলা হয়, তার আসল নাম মধু গুলগুলি ।
    অসম্ভব মিষ্টি এই আম, কাকেরাই অর্দ্ধেক সাবাড় করে দিতো – গাছে থাকতেই । তাই এই নাম ।
    মুর্শিদাবাদের দুটো আম – বিখ্যাত । কোহিতুর আর বেগমপসন্দ । কিন্তু
    এই দুটো আমের গাছ কমে এসেছে মুর্শিদাবাদে ।
    আম্রপালী আম খেতে অসম্ভব মিষ্টি আর এটা শঙ্কর জাতীয় আম, যা মালদা ম্যাংগো রিসার্চ সেন্টারের ( প.ব. সরকার) অবদান ।
    পরিশেষে বলি – আমগাছ দুরকমের হয় । একটা গুটি আর একটা কলম।
    গুটি আমগাছ হয় – আমের ফেলে দেওয়া গুটি বা আঁটি থেকে ।
    গুটি আম বেশী মিষ্টি, কলম গাছের আম থেকে, যদিও গুটি আম সাইজে ছোট ।

    • সৌরাংশু says:

      ভালোবাসা জানাবার ভালো ভাষা পাচ্ছি না ঘনা দা! আনন্দ হল। :)

  3. Anonymous says:

    দারুণ।

    • সৌরাংশু says:

      ধন্যবাদ! কিন্তু আপনার নামটা দিলেন না যে!

  4. আবেশ কুমার দাস says:

    লতা নামটা দু’বার এসেছে। একবার মাঝামাঝি আরেকবার শেষদিকে। তা বাদে তিনশো ছাড়িয়ে গেছে দেখছি আমসংখ্যা। জানাই ছিল না এত প্রজাতি আছে।
    যাহোক, এক ধরনের আমের নাম শুনেছি হাবড়া অশোকনগরের দিকে। চ্যাটার্জি আম। আরও কোথাও কোথাও হয় কিনা জানি না। যেমন অন্য নামে ওই আমটি এখানে আছে কিনাও জানা নেই। হিমসাগরের মরসুম শেষ হলে আমারও আম খাওয়ার মরসুম শেষ হয়ে যায়।

    আর ভালো কথা, পেশোয়ার-কি-আমির আমটা কি লেখক কখনও চেখেছেন?

  5. আবেশ কুমার দাস says:

    লতা নামটা দু’বার এসেছে। একবার মাঝামাঝি আরেকবার শেষদিকে। তা বাদে তিনশো ছাড়িয়ে গেছে দেখছি আমসংখ্যা। জানাই ছিল না এত প্রজাতি আছে।
    যাহোক, এক ধরনের আমের নাম শুনেছি হাবড়া অশোকনগরের দিকে। চ্যাটার্জি আম। আরও কোথাও কোথাও হয় কিনা জানি না। যেমন অন্য নামে ওই আমটি এখানে আছে কিনাও জানা নেই। হিমসাগরের মরসুম শেষ হলে আমারও আম খাওয়ার মরসুম শেষ হয়ে যায়।

    ভালো কথা, পেশোয়ার-কি-আমির চাখার সৌভাগ্য (???) কি হয়েছে কখনও লেখকের? যা চেখে ডার্কডেভিল সাহেবের বাত সেরে (ছেড়ে) গিয়েছিল?

    • সৌরাংশু says:

      না সে সৌভাগ্য হয় নি। তবে লম্বি জিন্দেগি হয়েই যাবে।

  6. শুভেন্দু প্রকাশ চকেবর্তী says:

    হুগলিতেও চ্যাটার্জী আম হয়। ফলন প্রচুর। আষাড়ের শেষে আর শ্রাবণ মাসে পাকে। আমাদের বাড়িতে অন্তত ১০০ বছরের পুরানো একটা গাছ আছে, এখনও ভাল ফল দিচ্ছে। আরও দুটো গাছ ছিল, চালতা খাস আর মোগলসা খাস। চালতা খাসের চেহারা অনেকটা সরি আমের সঙ্গে মেলে আর মোগলসা খাস লখনৌ-এর দসেরীর মতন তবে অনেক বড়, এক একটার দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ইঞ্চ হতও। দুঃখের কথা যে দুটো গাছই আর নেই।

  7. আশুতোষ says:

    আমগাছের তলায় আরাম করে বিশ্রাম নেবার ফাঁকে পড়ে ফেললাম।সুখপাঠ্য এবং তথ্য সমৃদ্ধ । ঠাকুমার বাননো কাঁচা আম,কাসুন্দি, সর্ষে তেল লঙ্কা সামান্য চিনি দিয়ে গরমকালের বিকেলে যে অসাধারণ আমমাখা খেয়েছি তা আর কেউ তেমন করে বানাতে পারল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>