৬৮ নট আউট

৮ নট আউট - আবারো প্রায় সেই ৩৪ বছর! একটা দল ডেড রাবার সিচুয়েশনে সিরিজের শেষ টেস্টে আগে ব্যাট করে তিনশোর বেশি রান তুলে দিয়েছে। আরেকটা দল তার জবাবে ধুঁকছে। ০/২ ! নতুন ব্যাটসম্যানকে স্বাগত জানানোর জন্য রাখা হয়েছে…
অনীশ মুখোপাধ্যায়

This entry was posted in Games. Bookmark the permalink.

11 Responses to ৬৮ নট আউট

  1. আবেশ কুমার দাস says:

    দুরন্ত লেখা। টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলি ভাল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ব্যক্তিপুজোর আমেজ থেকে বেরিয়ে এমন ব্যাখ্যা সব সময় পাওয়া যায় না। সেই কারণেই আরও ভাল লেগেছে।
    প্রসঙ্গত, গাভাসকারকে শচীনের আগে স্থান দেব। স্রেফ নতুন লাল চেরির বিষ নীলকণ্ঠ হয়ে গ্রহণ করার কারণেই।

  2. সৌরাংশু says:

    “কিন্ত সানির সঙ্গে শচীনের পার্থক্য এইক্ষেত্রে এটাই যে শচীন স্রেফ একজন “humble number cruncher” হয়েই থেকে গেলেন।”

    এটা একটু কটূ লাগল বটেই। আমার ধাতে আজহার বা লক্ষ্মণ সয়, শচীন অতটা নয়। কিন্তু তবুও… শচীনও মানুষ সময়ে রিটায়ার করতে পারে নি বলেই হাম্বল নাম্বার ক্রাঞ্চার? টেস্টে তো কপিলও টেনে গেছে দু বছরের বেশি। নিউজিল্যান্ডে বল কিরণ মোরের গ্লাভসেই পৌঁছচ্ছে না।

    ২০১১র পর তিনি কেন অবসর নেন নি সেটা নিয়ে একটা ব্যাখ্যা কিন্তু শচীন দিয়েছে। যাই হোক। ব্যক্তিগত মতামত।

    • Anonymous says:

      অনেক ধন্যবাদ সৌরাংশু।
      ভাল বলেছ।
      বড় ভুল হয়ে গেছে গো।এখন তো আর শুধরোবার সুযোগ নেই।পরেরবার ঠিক করে নেবো।
      শচীনকে নিয়ে একবার লেখার ইচ্ছে আছে।তখন।
      ও হ্যাঁ।
      তোমায় একটা কথা বলা হয়নি।
      সানি নয়,আমি আসলে কপিল আর শচীনের প্রায় অন্ধ ভক্ত।

  3. Keya Mukhopadhyay says:

    ভাল লাগল সদ্য পেরিয়ে আসা জন্মদিন মনে রেখে এই লেখাটি।
    শচীন প্রসঙ্গে সৌরাংশুর সঙ্গে সহমত, লেখক একটু নির্মম বিচারই করেছেন।
    আর একটা সামান্য কথা।
    শেষের দিকে বলা হয়েছে, গাভাসকারই একমাত্র দেখিয়েছেন “দীর্ঘকালীন ভিত্তিতে, নিজ শর্তে, কেমন ভাবে বিত্তবান থেকে যাওয়া যায়- রানে,সম্মানে ও অর্থে”।
    এই শেষ ব্যাপারটা, মানে অর্থগত দিকটা না এলেই ভাল হত মনে করি। সাতাশি সালে, আজ থেকে তিরিশ বছর আগে যিনি রিটায়ার করেছেন, তিনি বা তাঁর সমসাময়িক নামীরা কেউওই অর্থকরী দিক থেকে বিত্তবান হয়ে উঠতে পারেননি। এখন যে অর্থ উপার্জন করছেন ক্রিকেটাররা- স্বপ্নেও সেই অঙ্ক তাঁরা ভেবে উঠতে পারতেন না কখনো। রানে আর সম্মানে অসামান্য বিত্তবান- সেটুকুতে সীমাবদ্ধ থাকা যেত হয়তো।

    • Anonymous says:

      ধন্যবাদ কেয়া।
      আবারো একই কথা।
      শচীন নিয়ে কোন একদিন হয়ত লেখার সুযোগ আসবে।হয়ত সেদিন যা বলতে চাই বলতে পারবো। এই লেখার বিষয় যেহেতু শচীন নয় তাই বাকিটা তোলা থাক।
      আরেকটা ছোট ভুল হয়ে গেছে। সংশোধনের উপায় নেই।
      ‘একমাত্র’ শব্দের জায়গায় প্রথম লিখে দেওয়া উচিৎ ছিল।তাহলেই যা বলতে চাই সেটা হয়ত বোঝা যেত।তবে একটা ‘হয়ত’ রাখছি।কারণ আমি এখন আর নিশ্চিত নই।
      মন্তব্যর জন্য আরো একবার ধন্যবাদ।

  4. Anirban Datta says:

    একজন অন্ধ গাভাসকার ভক্ত হিসাবে দারুন লাগলো তো বটেই। তবে সৌরাংশু আর কেয়ার বক্তব্যের সঙ্গে আমিও একমত। তোমার লেখায় লয়েড আর স্টিভ এর টিম তুলনার প্রসঙ্গে আমার চিরকালীন স্ট্যান্ড এটাই থাকবে যে লয়েড এর ঐ টিম বিপক্ষ কে স্রেফ দুমড়ে মুচড়ে দিতো, স্টিভ এর টিম কে কিন্তু বিপক্ষ লড়াই দিয়েছে, টিম ইন্ডিয়াই দিয়েছে। আর শ্রধ্যেয় গৌতম দার বক্তব্য ধার করে বলি যে সানি আর সচিন দুটো আলাদা যুগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, একজন লাইসেন্স রাজ এর যুগে আর অন্যজন উদার অর্থনীতির সময়ে। দুজনের সময়কালীন কনস্ত্রেন্ট ও আলাদা ছিলো। হয়তো অন্যজনের যুগের প্রতিনিধিত্ব করলে তাঁরা একই রকম সফল হতেন। কিন্তু যে পরীক্ষা কোনোদিন হয় নি, হওয়া সম্ভব ও নয়, তার অনুপস্থিতি তে হয়তো বা সানি একটু এগিয়েই থাকবেন।

    • Anonymous says:

      অনির্বাণ তোমাকে ধন্যবাদ।
      তুমি সানির অন্ধ ভক্ত জানতাম না।আস্তে আস্তে একঘরে হচ্ছি।
      কথা হবে।
      অপেক্ষা করবে জানি।

  5. Alok Kumar Mukhopadhyay says:

    সুনীলের তিনশ নেই ঠিকই , কিন্তু চৌতিরিশটি টেস্ট সেন্চুরিও বহু দিন কারও ছিল না । এর সবচেয়ে বেশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে । আর লিলির সাথে খেলা হয়েছে কটা ! হ্যাডলি সম্পর্কেও একই কথা । ইতিহাস যে গড়ে তাকে দিয়ে কি আর সব সব সাধ পূর্ণ করা যায় !

    • Anonymous says:

      এখন কথা হল কেমনভাবে কোন ঘটনাকে একজন ব্যাখ্যা করবেন।দুভাবেই করা যায়।এক,যেভাবে আমি করেছি।ব্যর্থতাকে ব্যতিক্রম ধরে নিয়েছি বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখিয়েছি।সেই হিসেবে কোথাও সমস্যা নেই।
      আরেকটা রাস্তা হল নির্মম হয়ে যাওয়া।যেটা সানির বিরুদ্ধে লেখাটায় হতে চাইনি।

      আজ যদি আমি বলি যে ওয়েস্ট ইন্ডিজে কোন ভাল বোলারের বিরুদ্ধে সানির একটার বেশী বড় রান নেই সেটা খুব একটা সত্যের অপলাপ হবে না।কারণ খুব ক্রিটিকাল হলেও সেটাই আসল সত্যি।ওদেশে ১৯৮২-৮৩তে একটা সেঞ্চুরি ছিল চার বিশ্বত্রাস ফাস্ট বোলার সামলে।কিন্ত তাও জর্জটাউনে।বার্বাডোজ বা সাবাইনা পার্কে নয়।এটা একটা বাস্তব।উনি ১৯৭৫-৭৬ বা ১৯৮২-৮৩তে সাবাইনা পার্কে হোল্ডিং আর রবার্টস বা মার্শালকে(পরেরবার) সামলাতে পারেননি।কানপুরে হাত থেকে ব্যাট ছিটকে গিয়েছিল।এটাও আরেক বাস্তব।আবার দিল্লীতে ফিরে এসেছিলেন ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করে।সেটাও বাস্তব।ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠে সেরা ভারতীয় ব্যাটসম্যান সানি কখনো নন।সেরা মোহিন্দর অমরনাথ-এটাও আমার অতিশয়োক্তি বলে মনে হয় না।
      ৩৪টা সেঞ্চুরি করা লোককে এই লেখাটায় টেনে নামানো উদ্দেশ্য নয়।কিন্ত কিছু ঘটনা মিথ হয়ে আছে।সেটাও পুরো সত্যি নয়-এটাও মনে হয়েছে।যে মানুষ পার্থের ফোর্থ ইনিংসে ১২৭ করছেন(ওই একটাই টেস্ট ওখানে খেলে) তিনি লিলিকে খেলতে পারেননি।কেন পারলেন না?লিলিকে উনি কিন্ত ব্রিসবেন বা পার্থে খেলেননি।খেলেছেন অনেক সহজ পিচে।মেলবোর্ন,সিডনি আর এডিলেডে। একজন ভাল ব্যাটসম্যান একবার,দুবার,তিনবার ব্যর্থ হতে পারেন।সানি ওই সিরিজে পাঁচবার ফেল করেছেন।ব্যাড প্যাচ ধরে নিতে চাইছি।অন্য কোন ব্যাখ্যা নয়।কিন্ত উনি পারেননি এটাও ইকুয়ালি ট্রু। হ্যাডলিকে খেলেছেন পাঁচটা টেস্ট।একবার একটা ৭০ করেছেন।বোধহয় আরেকটা ৫০ থাকতেও পারে।কিন্ত ঐ অবধিই।অকল্যান্ড বা ওয়েলিংটনের সবুজ পিচে,কনকনে ঠান্ডায় হ্যাডলি পাগল করে ছেড়েছিলেন সুইং দিয়ে।আর সে যুগে পাঁচ টেস্ট,দশ ইনিংস- এটা একজনের সাফল্য বা ব্যর্থতা বোঝার জন্য খুব কম সময় নয়।আরো এইজন্য যে সানি দুবার নিউজিল্যান্ড গিয়েছিলেন। ১৯৭৬ আর ১৯৮১তে।একটি সেঞ্চুরি করেছিলেন প্রথমবার প্রথম টেস্টে যাতে রিচার্ড হ্যাডলি খেলেননি।এখন এগুলোও তো আছে।মানা বা না মানা সানি ভক্তদের ব্যাপার।আমার নয়।উল্টোটা হল ইমরানকে করাচীতে এত ভাল খেলেছিলেন যে জাভেদ বার্কি প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন।
      যিনি ইতিহাস গড়ছেন তাঁর কাছে প্রত্যাশাও বেশীই থাকে।সেজন্যই তিনশো না হওয়ার আক্ষেপ আছে।থাকবেও।কিন্ত তার একটা ব্যাখ্যাও দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
      আসলে এ লেখা ঠিক শুধু শ্রদ্ধাজ্ঞাপন নয়,কিছু অপ্রিয় তথ্যকেও সামনে আনার প্রয়াস যা হয়ত প্রমাণ করে সুনীল গাভাসকার ফাস্ট বোলিং এর বিপক্ষে বিরাট মাপের খেলোয়াড়।কিন্ত সমস্ত নামিদামি বোলারদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সব জায়গায় সমানভাবে সফল নন।আর এটাই স্বাভাবিক।তিনি তো আর ব্যাট হাতে অতিমানব ছিলেন না!
      বিদেশে পারেননি।স্বদেশে পেরেছেন।কিন্ত পেরেছেন।লিলি-হ্যাডলি ছাড়া প্রায় সবার কাছ থেকেই হিসেব বুঝে নিয়েছেন।
      এবার যে যেভাবে ভাববেন।সবটাই খোলা আছে।

  6. Alok Kumar Mukhopadhyay says:

    আমি নিঃসন্দেহে গাভাসকার ভক্ত এবং তা দুর্দিনের বাজারে একাত্তর জন ফার্স্ট বোলারের বিরুদ্ধে বাইশ জন সহখেলোয়ারের সাথে ওপেন করে বিপুল রান করার জন্য । এই উদাহরণ আর আছে কি-না জানি না । স্বয়ং লেখক যে আরও বড় ভক্ত তার প্রমাণতো প্লতিবেদনের ছত্রে ছত্রে আছে । সুতরাং ভক্তির কথা থাক । যে দুজন বোলারের কথা উঠেছে তারা এক সিরিজের পরীক্ষক এবং কেউ আমাদের দেশে খেলে নি । মার্শালকে শুধু ও দেশে এক সিরিজ খেললে আমরা দিল্লি পেতাম না , কানপুরই থাকত রেকর্ড বইতে । মনে পড়ে কি কেন ব্যারিংটনের সাথে রমাকান্ত দেশাই এর গল্প ? কিংবা আর একটু আগে ভারতে হানিফ মহম্মদ কিংবা ভারতের বিরুদ্ধে ডেনিস কম্পটন ?

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>