রহস্যের ঘনঘটা

রহস্যের ঘনঘটা – ‘ছোটবেলায়’ বললে বেবাক মিছে কথা বলা হবে, এই বুড়োবেলাতেও ইনজেকশনে বেদম ভয় আমার। মুরগি বা মাছ কাটার সময়ে সামনে থাকি না..রক্ত দেখলে গা গুলিয়ে ওঠে। কিন্তু কোনো অজ্ঞাত কারণে খুনখারাপির গল্পে আমার টানটান উত্তেজনা জাগে।…
ঈশানী রায়চৌধুরী

This entry was posted in History, literature. Bookmark the permalink.

9 Responses to রহস্যের ঘনঘটা

  1. শিবাংশু says:

    সামগ্রিক আলোচনা। বিশদ ও স্বচ্ছন্দ…

  2. অরুণ আইন says:

    আপনার লেখার একটি গুন এইযে তা তরতর করে পড়া যায়। আর wit.মোটামুটি আমার জানা পরিধীর মধ্যে আপনার লেখার বিস্তার। কিন্তু একটি কারণে আমার লেখাটি বিশেষ পছন্দের।ভদ্র আলোচনায় স্বপনকুমারের নাম উল্লেখ, কেন জানিনা, গোমাংসবৎ পরিত্যাজ্য। আপনি সাহস করেছেন। এ’জন্য আপনি ধন্যবাদের হকদার।

  3. Ishani says:

    লেখা পড়ে মূল্যবান মন্তব্যের জন্য শিবাংশুবাবু ও অরুণবাবুকে আন্তরিক ধন্যবাদ |

  4. indrani bhattacharya says:

    আমি ঈশাণীর সব রকম লেখার ভক্ত…কিন্তু যখন দেখলাম সে করতে বসেছে গোয়েন্দা কাহিনীর বিশ্লেষণ…উতফুল্ল হয়ে বসে গেলাম, আমারও বিশেষ আকর্ষণের বিষয়বস্তুর রসাস্বাদনে।
    ফিরে গেছিলাম ছোটবেলায়। কলেজ স্টুডেন্টস দের জন্যে চিনহিত স্বপন কুমার সিরিজ শেষ ক্লাস সিক্সে। বাড়িতে লেপের তলায়, লালবাজার স্কুলেও বইএর মধ্যে রেখে অনায়াসেই পড়ে ফেলতাম।
    কি করে ভুলি সেই একপাতা জুড়ে ক্রিং ক্রিং ক্রিং ক্রিং…
    এগিয়ে চল ঈশাণী…সম্পাদনাও খুব ভাল হয়েছে

  5. Sekhar Basu says:

    ভালো লেগেছে লেখাটি । এখনও পর্যন্ত যে ক’জনের লেখা পড়েছি– প্রত্যেকেরই গোয়েন্দাকাহিনি পড়ার পরিধি বেশ বড় ; লিখেছেনও বেশ খেটেখুটে । সুন্দর একটি সংখ্যা ।

    • Ishani says:

      লেখাটি সময় নিয়ে পড়ে মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ |

  6. Bhaskar Bose says:

    খুব ভালো লাগলো!! প্রায় কাছাকাছি বয়স বলে স্মৃতিও একই রকম। বাবা আমাকে জন্মদিনে “বাদশাহী আংটি” উপহার দিয়েছিলেন। কালো ভ্রমরও। শরদিন্দু তো বাবা-কাকার এত প্রিয় ছিল যে প্রথম খণ্ড থেকেই অমনিবাস কেনা হতে শুরু হল। তবে তখন কিন্তু সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন স্বপনকুমার। আমার বাবার এ ব্যাপারে কোন রকম বাছ বিচার ছিল না। আমাদের প্রায় খান সত্তর স্বপন কুমার ছিল, ছিল রবার্ট ব্লেকও। পাড়ার ছেলেদের ও লোভ ছিল, কিন্তু বই দিলে আর ফেরৎ পাওয়া যাবে না, তাই আমাদের লম্বা বারান্দায় বসে তারা বই পড়তো।
    খুব মজার ছিল সে দিনগুলো। অনেকটা ফিরে পেলাম।

  7. Ishani says:

    ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য ও ভাস্কর বসু ,

    আমরা একই প্রজন্ম তো ! তাই আমাদের বড় হওয়া , ভালোবাসা আর পড়াশুনো , ফাঁকি মারা আর বকুনি খাওয়ার ক্ষেত্রগুলো প্রায় এক | এবং সেই সুবাদেই আপনাদের সঙ্গে আমার পছন্দ -অপছন্দের গাঁটছড়া | আপনারা পড়েছেন, ভালো লেগেছে..এটাই আমার প্রাপ্তি | আন্তরিক ধন্যবাদ | :)

  8. Bidyut Kumar Chaudhuri says:

    সুনিল গাঙ্গুলীর কাকাবাবু যদিও সে অর্থে গোয়েন্দা ছিলেন না তবুও রহস্য কাহিনীর পাঠক হিসেবে একজন শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষের অসাধারণ আডভেন্চার গোয়েন্দা কাহিনী পদবাচ্য বললেও ভুল হবে না । লেখিকাকে ছোটবেলায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>