বাঙ্গালি বিয়ের রীতি রেওয়াজ , পরম্পরা এবং সমকালের ভাবনা

বাঙ্গালি বিয়ের রীতি রেওয়াজ , পরম্পরা এবং সমকালের ভাবনা: তরুণ মজুমদারের ছবি ‘বালিকা বধূ’র একটি দৃশ্যে দেখা গেছল একটি গ্রামে গৃহকর্ত্তা তাঁর ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন পুরোহিতের ভুলভাল মন্ত্রোচ্চারণে বিরক্ত হয়ে তিনি গ্রামের নিমন্ত্রিত প্রতিবেশীদের কাছে একটি প্রশ্ন রাখেন ‘ বলুন দেখি স্ত্রী মানে কি …
সোমেন দে

This entry was posted in Culture, Society. Bookmark the permalink.

10 Responses to বাঙ্গালি বিয়ের রীতি রেওয়াজ , পরম্পরা এবং সমকালের ভাবনা

  1. Mohitlal says:

    Quite informative. But how to write comments in Bengali in this site?

    • Somen Dey says:

      <অনেক ধন্যবাদ ।আপনি যদি অভ্রতে বা অন্য ইউনিকোড এ লেখেন তাহলে অন্য কোথাও লিখে এখানে এর মধ্যে কপি পেস্ট করে দিলেই হবে । >

  2. মাধুরী হাজরা says:

    সত্যিই ঝরঝরে লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো। নতুন ধরণের বিয়ের নতুন মন্ত্রও রচনা (সেটাও হয়ত পরিষ্কার বাংলাতেই হওয়া উচিত) করলে কাজটি আর এক ধাপ এগিয়ে যেত। নমস্কার।

    • Somen Dey says:

      আপনার সঙ্গে আমি একমত ।সময় এসেছে বিয়ের মন্ত্র বাংলাতে বলা শুরু করার । নতুন প্রজন্মের কাছে ক্রমশ সংস্কৃত ভাষা হিব্রু বা গ্রিক ভাষার মতই অচেনা হয়ে উঠবে । শুধু ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে মন্ত্র দুর্বোধ্য হলেও তা বুলি-শেখা পাখির মত উচ্চারন করে যেতে হবে কেন?
      আমরা পাবলিক প্লেসে ,টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে গো মাংস খেয়ে আমাদের সংস্কারমুক্ততা দেখাতে পারি , অথচ এই ছোট্টো পরিবর্তনটার কথা ভাবনাতেও আনিনা কেন কে জানে। ধন্যবাদ এবং নমস্কার ।

  3. Jolly Chakraborty Seal says:

    ভালো লাগল সোমেনদা|

    আপনার লেখা সর্বদাই তথ্য সমৃদ্ধ হয়| কিন্তু কোনকালেই তথ্যভারে তা দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে না| বরং অনেক কিছু জানি আপনার লেখা পড়ে| ভাবনার জগতে আঁচড় কাটে আপনার লেখা|

    জল|

    • Somen Dey says:

      ধন্যবাদ জলি । কারো ভাবনার জগতে ছোট্টো আঁচড় কাটতে পারলেই লেখার সার্থকতা ।

  4. মুনিয়া says:

    ভারী সুন্দর করে গুছিয়ে লেখা।
    খুবই উপভোগ্য হয়েছে লেখাটি, সোমেন দা।

  5. Dilip Das says:

    ১। আপনি উলুধ্বনি প্রথা অনার্য লিখেছেন, এই নিয়ে ছান্দোগ্য উপনিষদের একটি অংশ তুলে দিচ্ছি যা থেকে বোঝা যাবে যে উলুধ্বনি প্রথা ছিল সম্পূর্ণভাবে বৈদিক। (সন্ধি ভেঙ্গে দিচ্ছি যাতে সকলের বুঝতে সুবিধা হয়)
    “অথ যৎ তৎ অজায়ত, সঃ অসৌ আদিত্যাঃ। তম্‌ জায়মানাম্‌ ঘোষা উলূলবঃ অনূদতিষ্ঠন। ………তস্মাৎ তস্য উদয়ম প্রতি অয়নম্‌ ঘোষাঃ উলূলবঃ অনূতিষ্ঠন্তি…।।”। অর্থ – তারপর এই যাহা উৎপন্ন হইল এই সূর্য, তিনি উৎপন্ন হইলে উলু উলু ধ্বনি উঠিল, ……এই জন্য সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় উলুধ্বনি……। (ছান্দোগ্য, ৩-১৯-২৭৯)।
    ২। আপনি লিখেছেন “তা ছাড়া বৈদিক যুগে নবপরিণীতার বিবাহ বিশেষ একজনের সঙ্গে নয় বরের ভ্রাতাদের সঙ্গেও হত”। এটাও ভ্রান্ত ধারণা। কোনো কোনো বিশেষ অবস্থায় স্বামীর মৃত্যুর পরে বিধবার সাথে সম্ভবত দেবরের বিবাহের একটা প্রথা ছিল, যার আভাস পাওয়া যায় ঋগ্বেদের ১০.৪০.২ ঋক্টিতে “……কো বাং সযুত্রা বিধবেব দেবরং মর্যং ন যোষা ……”। মনুস্মৃতি বলে যদি কন্যার বাগদানের পর ভাবী বরের মৃত্যু হয়, সে ক্ষেত্রে ভাবী দেবরের সাথে বিবাহ অনুমোদন আছে। “যস্যা ম্রিয়তে কন্যায়া বাচা সত্যে কতে পতিঃ/ তাম্ অনেন বিধানেন নিজো বিন্দতে দেবরঃ” (মনু ৯.৬৯)।
    এছাড়াও, ঋগ্বেদের বিবাহের মন্ত্রগুলি (১০.৪৫) পড়ে দেখলে কিন্তু সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ের রীতির পরিচয় পাওয়া যায়, কোনো উৎসবের মাধ্যমে নয়।
    ৩। আপনি প্রাচীন বাংলার সীমানা পঞ্জাব অবধি ছিল লিখেছেন। মেগাস্থিনিসের বর্ণনায় প্রাক-মৌর্য যুগে প্রাচীন গাঙ্গেয় পূর্বভারতে গঙ্গারিদই ও প্রাসৌ (প্রাচী?) নামে দুটি রাজ্যের নাম পাওয়া যায়। এদের মধ্যে কি সম্পর্ক ছিল সেটা পরিষ্কারভাবে না জানা গেলেও, এদের সীমানা পঞ্জাব অবধি ছিল না। নন্দদের রাজ্য বিতস্তা থেকে (আলেকজান্ডারের বিবরণ) কলিঙ্গ (হাতীগুম্ফা লিপি) অবধি বিস্তৃত থাকলেও, তাকে কি প্রাচীন ‘বাংলার’ সীমানা বলা যায়?
    ৪। আপনি লিখেছেন “গায়ের রঙের বিচারে প্রথমে তিন রকমের শ্রেণীবিভাগ করা হয়। পুরোহিত, রাজন্য আর বৈশ্য। পরে তার সঙ্গে ক্ষত্রিয় যোগ হয়”। কিন্তু আমার মনে হয় বৃত্তিগত কারণেই ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্রের উৎপত্তি একই সঙ্গে। এর সমর্থনে ঋগ্বেদের একটি শ্লোক তুলে দিচ্ছি “ব্রাহ্মণোSস্যো মুখমাসীদ্বাহুঃ রাজন্য কৃতঃ/ঊরূ তদস্য যদ্বৈশ্য পদ্ভ্যাং শূদ্রো অজায়ত” (১০.৯০.১২) অর্থ – (সেই পুরুষের) মুখ থেকে ব্রাহ্মণ, বাহু থেকে রাজন্য, ঊরূ থেকে বৈশ্য ও পা থেকে শূদ্রের উৎপত্তি হল।

  6. Shrila chakrabirty says:

    হিন্দু মতে বিয়েতে ছেলের হাতে জাঁতি কেন থাকে, মেয়ের হাতে সিঁদুর কৌটা???

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>