কচ্ছে তিন দিন

কচ্ছে তিন দিন – ভদোদরা অর্থাৎ বরোদা রেল স্টেশন থেকে বান্দ্রা-ভুজ এক্সপ্রেস করে গুজরাটের কচ্ছ জেলার প্রধান শহর ‘ভুজ’ রেল স্টেশনে পৌঁছলাম। শহরের প্রায় কেন্দ্রে, নিউ স্টেশন রোডে বাজার এলাকায় বেশ সস্তার হোটেল পেয়ে গেলাম। …
শুভেন্দু প্রকাশ চক্রবর্তী

This entry was posted in Travel - video, Travel_Images, Travel_stories, Uncategorized. Bookmark the permalink.

8 Responses to কচ্ছে তিন দিন

  1. Manchitre Naliya name kono jayga to dekte pelam na ? Apnar ei lekhay kichu kichu jaygay khei hriye phelechi.

  2. Bijoy Krishna Dam says:

    Apnar lekha porlam. Kobe gia chilen? Apnar lekhaya kono khunt takhena, kintu atate besh koakta pelam.

  3. শুভেন্দু প্রকাশ চক্রবর্তী says:

    অশোকবাবু ও বিজয়বাবু,

    আপনাদের অজস্র ধন্যবাদ আমার লেখা এমন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়ার জন্যে। পূর্ববর্তী অনেকগুলো লেখায় কোনও মন্তব্য পাইনি। এটাতে প্রথমেই দুজনের মন্তব্য পেলাম। এর জন্যে অবশ্য আমার চাইতে এই লেখার রিভিউয়ারের কৃতিত্ব অনেক বেশি। তিনিই আমার লেখা ‘সাজুগুজু করিয়ে পিঁড়িতে তুলতে’ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে ওনার বক্তব্য ছিল, “লেখক আর সম্পাদকের সম্পর্কটা সহযোগীর, প্রতিযোগীর নয় — দুজনেই চান লেখাটিকে সাজুগুজু করিয়ে পিঁড়িতে তুলতে। সম্পাদকের অপেক্ষাকৃত নির্মোহ দৃষ্টি সেই অভীষ্টে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারে, এটা মনে রাখলে আর রণং দেহির দরকার হয় না।” আসলে আমার মূল লেখার অনেক অংশই বাদ দিয়েছেন, কাহিনির মূল বক্তব্যর নাকি তাতে ক্ষতি হচ্ছে না, সেই অংশগুলো নাকি আসলে অপ্রয়োজনীয়, এই মন্তব্য করে। সম্পাদক মহাশয় অবশ্য আমাকে লেখাটা পরিমার্জন করে দিতে বলেছিলেন কিন্তু সঙ্গে এও বলে দেন যে রিভিউয়ারকে পাশ কাটিয়ে এই লেখা ভাসাবেন না। তাই আমি সেই পথে যাইনি। রিভিউয়ারের বক্তব্য, আমার মনে হয়েছিল পাঠকের জানা উচিত নয়, তাই এই চিন্তা থেকে সরে এসে আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে কিছু দেরি হয়ে গেল।

    আপনাদের দুজনের যে specific প্রশ্ন রয়েছে, তার উত্তর পাবেন আমার মূল লেখার এই উদ্ধৃতিগুলো থেকে যা রিভিউয়ার বাদ দিয়েছেনঃ

    “সকাল ৭:৩০-এর মধ্যেই আমরা ভদোদরা অর্থাৎ বরোদা রেল স্টেশন থেকে বান্দ্রা-ভুজ এক্সপ্রেস করে গুজরাটের কচ্ছ জেলার প্রধান শহর ‘ভুজ’ রেল স্টেশনে পৌঁছলাম ২০১১এর ফেব্রুয়ারি ১৯, আমাদের গুজরাট ভ্রমণের প্রথম অংশের জন্যে।“
    আর,
    “দুপুর ১১:৩০ মিনিটে রাজ্য সড়কের ওপর নারায়ণ সরোবর থেকে প্রায় ৭২কিমি. দূরে নালিয়া (কোথারার পশ্চিম-উত্তরে আর জাখাউ-এর উত্তর-পূর্বে তালুকের সদর শহর, মান-চিত্রে কালো বিন্দু দেওয়া, নাম লেখা নেই) নামে এক শহরে চা-পানের বিরতি নেওয়া হলো আমাদের যাত্রার। আসবার সময়ের পথ থেকে অনেক আগেই আমরা সরে এসেছি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, কারণ, আগেই বলা হয়েছে আমাদের লক্ষ এখন মাণ্ডভি। …।”

    রিভিউয়ার আমার লেখার মধ্যে আরও প্রায় ১৫% অংশ বাদ দিয়েছেন অপ্রয়োজনীয় মনে করে। তার ফলে পরবর্তী অংশগুলোর অনেক ক্ষেত্রেই প্রসঙ্গচ্যুতি হয়ে গেছে। সম্পাদক মহাশয় আমার অনুরোধে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন করে দিয়েছেন তা হলেও অনেক জায়গাই অসংশোধিত রয়ে গেছে। এই কারণেই আমার লেখা পড়তে হোঁচট খেয়েছেন অধবা খুঁত দেখতে পেয়েছেন।

    উনি এমন লেখা তুলে নেবার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন আমাকে কিন্তু আমি জানি সাধারণ পাঠক আপনাদের মতো ‘ভ্রমণ কাহিনি’র এতো গভীরে ডুব দেন না, তাই এই প্রস্তাবে সায় দিইনি।

    আবার আপনাদের আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমার লেখা মন দিয়ে পড়ে মন্তব্য করার জন্যে।

  4. Anonymous says:

    সুকুমার রায়ের “চলচিত্তচঞ্চরি” নাটকের সংলাপ:

    “সত্যবাহন: তা আমি ত আর অন্যদের মতো বিজ্ঞাপনের চটক দিয়ে নিজের ঢাক নিজে পেটাই না—
    ঈশান: হ্যাঁ, উনি ত আর নিজে পেটান না—ওঁর পেটাবার লোক আছে| তা ছাড়া এইসব কাগজওয়ালাগুলো এমন হতভাগা, কেউ ওঁর বইয়ের সুখ্যাত করতে চায় না|
    সত্যবাহন: কেন, সচ্চিন্তা-সন্দীপিকায় ত বেশ লিখেছিল|
    ঈশান: ও হ্যাঁ, আপনার মেজোমামা লিখেছিলেন বুঝি ?
    সত্যবাহন: মেজোমামা নয়, সেজোমামা|”

    –রিভিউয়ারের ছোটোমামা

    • শুভেন্দু প্রকাশ চক্রবর্তী says:

      আপনার জ্ঞানের পরিধি যে কত বড় তা আমার মতো গর্দভও বুঝতে পেরেছে। তবে মনে হয়না ‘অবসর’ আপনার যথাযথ মূল্য দেবার ক্ষমতা রাখে।

    • Anonymous says:

      রিভিউয়ারের ছোটমামার মন্তব্যটি ভারি মনোগ্রাহী :)

  5. snigdha chandra says:

    voja `AYNA MAHAL` samanda ank sunachi.akana tar kono ullk nai-tumi ki sakana jaoni?

  6. শুভেন্দু প্রকাশ চক্রবর্তী says:

    এই রে, আবার আমাকে বিপদে পড়তে হবে ঠিক কথা বলার জন্যে।

    ভুজে আমি ‘আয়না মহলে’ গেছি, কিন্তু ভিতরে ঢোকার সৌভাগ্য হয়নি। হ্যাঁ, এই বিষয়ে লেখা ছিল আমার মূল লেখায়। আমার আগের comment পড়েছ আশা করি, এক্ষেত্রেও ‘Sensor Board’ সেই লেখা অপ্রয়োজনীয় মনে করে বাদ দিয়ে দিয়েছে। আমি আমার মূল লেখা থেকে সেই অংশ এখানে তুলে দিচ্ছিঃ

    “সময়ের অভাবের জন্যে কিছু জায়গা বাদ রেখে আমরা কেবল মাত্র ভুজের বিখ্যাত ‘আয়না মহল’ দেখতে গেলাম। কিন্তু দুঃখের কথা যে আয়না মহল প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট সময়ে খোলা থাকার কথা সত্ত্বেও সেইদিন ওখানে কোনও বিশেষ কারণে ছুটি থাকার জন্যে বন্ধ। আমরা বাইরে থেকে দেখেই ফিরে আসতে বাধ্য হলাম। ‘আয়না মহল’ আসলে ভুজের রাজবাড়ির একটি মহল। এর নির্মাণ শ্বেত পাথরে আর তা ঢেকে দেওয়া হয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট আয়নায়। এর সম্পর্কে আর কিছু বলা আমার উচিত নয়, চাক্ষুষ না দেখার কারণে। তবে কিছু কিছু জায়গায় এই ধরনের বাড়ির কথা শুনেছি আর মধ্যপ্রদেশের ইন্দৌরে এই রকম এক নিদর্শন দেখেছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>