চিরনবীন সুকুমার রায়

চিরনবীন সুকুমার রায় – এখনকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সুকুমার রায় ও তার লেখার সঙ্গে কতটা পরিচিত বলা শক্ত। ত্রিশ চল্লিশ বছর আগেও সুকুমারের কবিতার অন্তত দু’এক লাইন অথবা তার ‘হযবরল’-র …
দীপক সেনগুপ্ত

This entry was posted in literature, Opinion and Discussion. Bookmark the permalink.

7 Responses to চিরনবীন সুকুমার রায়

  1. Ishani says:

    জীবনকথা পাঠ সাধারণত আমার দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর লাগে | তাই এই লেখা পড়েও মনে হলো, সামান্য সরসতার ছোঁয়া থাকলে পাঠকদের কাছে তা মনোগ্রাহী হয়ে উঠত আরও

    • Dipak Sengupta says:

      লিখবার সময় এটা যে আমার মনে হয় নি তা নয়। তবু সুকুমারের জীবনের বিভিন্ন দিক ও কর্মকান্ডগুলি একটি রচনায় ধরা রইল।

      দীপক সেনগুপ্ত।

  2. অসীম সরকার says:

    আমাদের পুরানো প্রজন্মের বাঙ্গালী সুকুমার রায় পড়েন নি খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু তাঁর জীবনী আমরা ক’জন পড়েছি?

    প্রোঃ দীপক সেনগুপ্ত আমাদের কাছে সুকুমার রায় কে অল্প পরিসরের মধ্যে তুলে ধরে আমাদের ঋণী করেছেন। প্রাঞ্জল ভাষায় সুন্দর লেখাটি। অনেক কিছু জানা গেল যা আগে অজানাই ছিল।

    কোনো কোনো জায়গায় আগের তথ্যের পুনরাবৄত্তি না থাকলেই ভাল হত। লেখাটি একটু ছোটো হতে পারতো। আর সুকুমার রায় সম্বন্ধে যে লেখা, তাতে একটু হাস্যরস থাকবে না – তাই একটু আলুনি হয়ে গেছে!

  3. Amiya Gopal Mandal says:

    It is another thesis of Dr Dipak Sengupta . I am really overwhelmed to go through his diligent and elaborate coverage of many unknown images of Great Sukumar Roy. I really did not know that he was so intimate with Rabindranath who visited the ailing Sukumar Roy and sang the fittest song at his request.
    I just became voracious to finish the article and would like to read it again leisurely.
    I am very glad to discover that our friend Dipak has equal aptitude in this literary subject like Engineering

  4. Basudeb Bhattacharyya says:

    সুকুমার রায় সম্পর্কে কিছু জিনিষ আমরা প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু দীপকবাবুর এই লেখাটিতে এমন অনেক কিছু ঘটনা, তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে আমাদের অনেকেরই পরিচয় হয়নি। সুকুমার রায় এখনও পর্যন্ত সত্যজিৎ রায়-র বাবা হিসাবেই কিন্তু সবচেয়ে বেশী পরিচিত। কিন্তু তাঁর আপন কীর্তিই যে তাঁকে কৃ্তী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, দীপকবাবুর এই লেখাটি পড়লে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সুতরাং এই লেখাটিকে একটি নিছক জীবনপঞ্জী হিসাবে গ্রহণ করলে রচনা এবং রচনাকার দুজনেরই অবমূল্যায়ন করা হয়। ব্যক্তিগত বিচারে আমি এটিকে একটি প্রায় সম্পূর্ণ ‘মূল্যায়নভিত্তিক জীবনচর্যা’ আখ্যা দিতে চাই। ধন্যবাদ জানাই রচনাকারকে। এই ধরনের আরও লেখা পাবার আশায় রইলাম।

  5. AMIT ADHIKARY says:

    ভালো একটি লেখা পড়লাম……

  6. Anonymous says:

    ফেসবুক

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>