রুদ্রপ্রয়াগের চিতা

রুদ্রপ্রয়াগের চিতা – আপনি যদি শিকারের গল্প শুনতে বা শিকার কাহিনী পড়তে ভালবাসেন তবে জিম করবেটের নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। শিকারি হিসাবে করবেট পরিচিত হলেও বন্য পশুকে হত্যা করা তিনি কিন্তু পছন্দ করতেন না। তাকে যে শিকার করতে হয়েছে সেটা খানিকটা পরিস্থিতির চাপে পড়ে, বাধ্য হয়ে …
দীপক সেনগুপ্ত

This entry was posted in literature. Bookmark the permalink.

7 Responses to রুদ্রপ্রয়াগের চিতা

  1. Pushpendu Sundar Mukherjee says:

    যতদূর মনে হয়, মূল বইটি এখন আর দোকানে পাওয়া যাবে না। এমন কি, National Library- যেখান থেকে বাড়ী নিয়ে গিয়ে আমি পড়েছিলাম, সেখানেও Lending Section-এ এখন হয় তো আর নেই। অবসরের পাঠকদের এই ধারাবাহিক লেখাটি পড়ে দেখতে পরামর্শ দিচ্ছি। পরের কিস্তির অপেক্ষায় র’ইলাম।

  2. শুভেন্দু প্রকাশ চক্রবর্তী says:

    “জিম করবেটের লেখা উল্লেখযোগ্য বই গুলি হল – ‘ম্যান ইটারস অফ কুমায়ুন’ (১৯৪৪), ‘দি ম্যান ইটিং লেপার্ড অফ রুদ্রপ্রয়াগ’ (১৯৪৭), ‘মাই ইন্ডিয়া’ (১৯৫২), ‘জাঙ্গল লোর’ (১৯৫৩), ‘দি টেম্পল টাইগার অ্যান্ড মোর ম্যান ইটারস অফ কুমায়ুন’ (১৯৫৪)”
    এই পাঁচটি বই ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন “কার্পিট সাহেব।” অন্তত এই গুলি সব কটিই বাজারে পাবেন। কাউন্টারে না হলেও নেটে অর্ডার করলেই বেশ সস্তাতেই পাবেন। আমার কাছে সব কটাই আছে। তবে “ধার চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।”

  3. Keya Mukhopadhyay says:

    মহাশ্বেতা দেবীর ভাষান্তর ও সম্পাদনায় দুই খণ্ডে ‘জিম করবেট অমনিবাস’ প্রকাশিত হয়েছিল। কেউ বাংলায় পড়তে চাইলে একসঙ্গে সব লেখা পাবেন বইটিতে।

  4. Pushpendu Sundar Mukherjee says:

    যারা মূল বইগুলি পড়েননি, তাদের কাছে এটা খুবই দামী খবর। কারণ আশা ক’রা যায়, মহাশ্বেতা দেবী ভাবানুবাদ ক’রেছেন, স্কুলের ক্লাশের translation ক’রেননি।

  5. Dipak Sengupta says:

    জিম করবেটের লেখা ইংরাজি বই বা তার বাংলা ভাষান্তর কোনটাই দুস্প্রাপ্য নয়। মূল বই গুলি ইন্টারনেটেই রয়েছে। যারা ইংরাজিতে পড়তে চান তারা হয় ইন্টারনেট থেকে পড়তে পারেন অথবা amazon বা flipkart থেকে অনায়াসেই আনিয়ে নিতে পারেন।

    যে সব বাংলা বই রয়েছে সেহুলি হল -
    ১। জিম করবেট অমনিবাস ( দু খন্ডে ) : সম্পাদনা – মহাশ্বেতা দেবী, করুণা প্রকাশনী।
    ২। জিম করবেটের শিকারের গল্প : উৎপল ঝা, পুনশ্চ।
    ৩। জিম করবেটের শিকারের গল্প : পৃথ্বীরাজ সেন, সিটি বুক।
    বাংলা বইগুলি আমি পড়িনি, সেগুলি কি ধরণের লেখা বলতে পারব না। তবে আজ থেকে প্রায় ষাট বছর আগে সিগনেট প্রেস থেকে ‘কুমায়ুনের মানুষখেকো বাঘ’ ( যতদূর মনে পড়ে ) নামে Man eaters of Kumaon-এর বাংলা অনুবাদ বেরিয়েছিল। আমি তখন নবম শ্রেণীর ছাত্র। অনুবাদকের নাম মনে নেই, তবে তার অনুবাদের সুন্দর ধরণটা মনে আছে। বইটি বহু বছর আগেই আমার সংগ্রহ থেকে অন্তর্হিত। জিম করবেটের লেখা যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন, প্রতিটি ঘটনার খুঁটিনাটি বিষয়ের বিবরণ অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভঙ্গীতে পরিবেশন করাটাই তার রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট। সেটাই হয় ত আমাকে ‘রুদ্রপ্রয়াগের চিতা’ লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমি ভূমিকাতেই বলেছি যে এটা ঠিক আক্ষরিক অনুবাদ নয়, তবে মূল লেখার ধরণটা অক্ষুণ্ণ রাখতে লেখকের দেওয়া ছোটখাটো বিবরণও ধরে রাখতে হয়েছে।

    যারা কেদার-বদরি গিয়েছেন তাদের পথে নিশ্চয়ই রুদ্রপ্রয়াগ পড়েছে। তাদের কাছে কাহিনীতে বর্ণিত অলকানন্দার আশেপাশের অঞ্চলগুলি ও তার পার্বত্য পরিবেশ অনেক বেশি জীবন্ত মনে হবে। ১৯৭৩ সালে আমি রুদ্রপ্রয়াগের অদূরে ‘গোলাবরাই’ গ্রামে গিয়েছি এবং সেখানে সেই বিশেষ আমগাছটিও দেখে এসেছি। সেখানে গাছের কাছে বোর্ডে টানানো বন্দুকের ছবি সহ করবেট সাহেবের নাম এখন আর নেই, তার বদলে একটি ফলক লাগানো হয়েছে।

    যাই হোক এটাই হল, বর্তমান লেখার প্রেক্ষাপট। দু’-একজনের ভাল লাগতেও পারে।

    দীপক সেনগুপ্ত।

  6. Bivash says:

    শেষ পরিচ্ছদ পর্যন্ত এক নিশ্বাসে পড়ে ফেললাম, পরের কিস্তির জন্য অধীর আগ্রহে আছি, দয়া করে দ্রুত প্রকাশ করুন, অসংখ্য ধন্যবাদ :)

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>