জ্যোতিষশাস্ত্র প্রবেশিকা (১৫)

কয়েকটি জন্মকুণ্ডলীর বিশ্লেষণ – বিল গেট্স (Bill Gates) মেধা, উদ্যোগ ও অধ্যাবসায় ( এবং অবশ্যই অদৃষ্ট ) মানুষকে ঐশ্বর্য ও সাফল্যের কোন সীমায় পৌঁছে দিতে পারে Bill Gates তার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ। জন্ম ১৯৫৫ সালের ২৮ শে অক্টোবর। যে পরিবারে তার জন্ম, ব্যবসা, রাজনীতি ও সমাজ সেবায় তাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাবা William H. Gates, Seattle-এর বিখ্যাত আইনজীবী এবং মা Mary Maxwell Gates স্কুল শিক্ষিকা এবং একটি সমাজ সেবা প্রতিষ্ঠানের chairperson। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান বিষয়ে বিশেষ করে গণিতের দিকে ঝোঁক লক্ষ্য করে তাকে Lakeside Public School-এ ভর্তি করে দেওয়া হয়। সেখানেই তার কম্প্যুটার সম্বন্ধে কৌতূহল জন্মায় এবং তিনি ছোটখাট প্রোগ্রাম লিখতে শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে ১৬০০ নম্বরের মধ্যে ১৫৯০ পেয়ে স্কুল থেকে বেরিয়ে Harvard কলেজে ভর্তি হন। ….
দীপক সেনগুপ্ত

This entry was posted in Religion, Society. Bookmark the permalink.

3 Responses to জ্যোতিষশাস্ত্র প্রবেশিকা (১৫)

  1. S. Mandol says:

    লেখকের কাছে একটাই প্রশ্ন. .. বিল গেটসের জন্মের সময়েতো একই জায়গায় (বা একই ছক নিয়ে ) আরো অনেকে জন্মেছিলেন… তাদের কি হল? এ ব্যাপারে একটু আলোকপাত করলে খুশি হব…

    • dipak sengupta says:

      প্রিয় শ্রী মণ্ডল

      আপনি যে প্রশ্নটি তুলেছেন সেটা জ্যোতিষশাস্ত্রে বহু জিজ্ঞাসিত| ঠিক একই জায়গায় একই মুহূর্তে জন্ম হলে অবশ্যই এক ই কুণ্ডলী হবে এবং এই শাস্ত্রের যদি কিছু বৈজ্ঞানিক ভিত্তি থেকে থাকে তবে অবশ্যই একই ফল হবার কথা| এটা নিয়ে আমার যতটুকু জানা আছে সেটা কিছুটা আলোচনা করার ইচ্ছা রইল ভবিষ্যতে| যমজ সন্তানের ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন করা যায়| যমজ দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে অনেক সময়েই দেখা যায়, দু জনের একই সময়ে শরীর খারাপ বা অসুখ হয়েছে, একই সময়ে চাকরীতে উন্নতি হয়েছে ইত্যাদি| কিন্তু একজন ভারতে ইঞ্জিনিয়ার, অন্য জন বিদেশে অন্য পেশায় কাজ করছে| কিছু মিল থাকলেও অমিল অনেক| এ সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথের কুণ্ডলী আলোচনা করার সময় কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে|

      আপাততঃ যেটা বলা যায়, শুধু রাশিচক্র এবং নবাংশ থেকে কোন ব্যক্তির সমস্থ জীবনের ঘটনা বলা অসম্ভব| যে আলোচনা এই ধারাবাহিকে করা হচ্ছে সেটা অত্যন্ত প্রাথমিক ভাবে একটা ধারণা করার চেষ্টা| কোনো ব্যক্তির জীবনে ঘটনার বিষয় এবং তার সময় আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে অনেক সূক্ষভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে| ৬ষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্গ বিভাগে কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে| এ ছাড়াও অন্য অনেক পদ্ধতি আছে; সবগুলি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে অনেক সম্ভাবনার মধ্যে বেশ কিছু বাদ দিয়ে বাকি গুলি নিয়ে পর্যালোচনা করে ক্রমশঃ পরিসর ছোট করে এনে নির্দিষ্ট ঘটনা ও সময় সম্বন্ধে কিছুটা বলা সম্ভব|
      এবার মূল প্রশ্নে আসা যাক| ঠিক একই মুহূর্তে দু জনের একই জায়গায় জন্ম হবার সম্ভাবনা প্রায় নেই, কিছুটা তফাৎ থাকবেই| এবং সে জন্য মূল ছক প্রায় এক হলেও সূক্ষ বিভাগে তফাৎ ধরা পড়বে| এখন যেটা করা হচ্ছে সেটা হল কোন ব্যক্তির জীবনে অতীতের কোন ঘটনা জানা থাকলে, মূল কিছু নিয়মের সাহায্যে সেটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা| যেহেতু ঘটনাটা জানা আছে সে জন্য অনেক সম্ভাবনার মধ্যে যেটি ঘটেছে সেটার কারণ বের করা অনেক সহজ| আরও যেগুলি ঘটতে পারত সেগুলি কেন ঘটল না তার কারণ ব্যাখ্যা করা হয় না| ভবিষ্যত বলার জন্য যে নিয়মগুলি আলোচনা করা হয়েছে সেগুলি অবশ্যই প্রযোজ্য, তবে সেই সঙ্গে উপরে যেটা বলা হয়েছে সেই ভাবে বহু সম্ভাবনার মধ্যে কিছু কিছু বাদ দিয়ে যেগুলির সম্ভাবনা বেশী সেগুলি বিশেষ ভাবে বিশ্লেষণ করে ক্রমশঃ নির্দিষ্ট একটি সম্ভাবনার দিকে এগোতে হবে|

      দীপক সেনগুপ্ত|

  2. পলাশ ঘোষ says:

    আপনার এই বই টা কিভাবে সংগ্রহ করতে পারবো,অনলাইন অথবা ডাকযোগে পেতে পারি?

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>