বেদ- উপনিষদ ও সনাতন হিন্দুধর্ম ( ১৪)

কেন উপনিষদ : কেন উপনিষদের বিষয়বস্তু বলার আগে দুএকটি কথা বলে নিতে চাই| সমস্ত উপনিষদগুলির মূল বক্তব্যই হচ্ছে আত্মা বা পরমাত্মাকে নিয়ে, তাঁর স্বরূপ নিয়ে, এবং তাঁকে উপলব্ধি করতে গেলে কী উপায়ের অবলম্বন করতে হবে ইত্যাদি অতি উচ্চ ভাবের আলোচনাই উপনিষদের ঋষিরা বিভিন্ন উপনিষদের মাধ্যমে বলেছেন; বলেছেন তাঁদের নিজেদের অন্তরের উপলব্ধির সাহায্যে|…
কমলা রায়

This entry was posted in Religion. Bookmark the permalink.

4 Responses to বেদ- উপনিষদ ও সনাতন হিন্দুধর্ম ( ১৪)

  1. Gangadhar Sarkar says:

    কেনোপনিষদের আভাসানুবাদ, ঈশোপনিষদের আভাসানুবাদ ছাপানো হোলো / আপনাদের কাছে কিভাবে দেবো জানান…. মিলন পললী, বাকুড়া ৯২২১০২

  2. Gangadhar Sarkar says:

    কেনোপনিষদের কাব্যিক রূপ কবি গঙ্গাধর সরকারের নিজস্ব ভাবনায় ছন্দায়িত। আধুনিক কবিতার জীবনমুখী ভাবনার প্রতিফলন, অসাধারণ. তাই বলি “লোকে জ্যেয়ে প্রতিতিষ্ঠতি”- মদনমোহন পাত্র

  3. শ্রী চন্দন কুমার দে, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ says:

    বেদ, অদ্বৈতবাদ, জ্ঞানকাণ্ড এবং কর্ম-কাণ্ড বা আচার বিষয়ক সত্যজ্ঞান।
    সিন্ধুনদের পূর্ব দিকে অবস্থিত ভূমিতে যে জাতীয় মানব বাস করিত ও যে ধর্ম প্রচলিত ছিল, তাহাকে ঐ সিন্ধুনদের পশ্চিমস্থ মানবগণ মধ্য-যুগে হিন্দু-জাতি এবং তাহাদের ধর্মকে হিন্দু-ধর্ম বলিত। কিন্তু এই হিন্দুজাতির উৎপত্তির কালের তুলনায় ঐ মধ্যযুগ অত্যন্ত আধুনিক। ঐ মধ্যযুগের পুর্বে এই জাতি আপনাদিগকে আর্য্য-জাতি এবং আপনাদের ধর্মকে সনাতন-ধর্ম অথবা বৈদিক ধর্ম বলিত। অতএব এ জাতির আদি নাম আর্য্য-জাতি এবং ধর্মের নাম বৈদিক ও সনাতন ধর্ম। ‘সনাতন’ শব্দের অর্থ নিত্য। তৎপর ‘ঋ’ ধাত + ণাৎ= আর্য্য। ‘ঋ’ ধাতুর অনকে অর্থ, (১) গমন করা, (২) প্রাধান্য করা, (৩) প্রাপ্ত হওয়া প্রভৃতি। উত্তরোত্তর ব্রহ্ম মার্গে গমনশীল, শ্রেষ্ঠ আচার-সম্পন্ন এবং সত্যজ্ঞানের জ্যেতিঃ-প্রাপ্ত মানবগণকেই আর্য্য-জাতি বলা হইত। এই জাতির ধর্মের মূল ছিল বেদ বা জ্ঞান। ‘বেদ’ এই শব্দের অর্থই হইতেছে জ্ঞান বা সত্যজ্ঞান। সেই বেদ বা সত্যজ্ঞান যে কোথা হইতে , কোন্ কালে ও কি ভাবে উৎপন্ন হইয়াছিল , তাহা কেহই বলিতে পারে না। বর্তমান যুগে ‘বেদ’ বলিলে কতকগুলি মন্ত্র-সমষ্টিকে অথবা সেই সকল শ্লোক বা মন্ত্র-বিশিষ্ট গ্রন্থকে সাধারণ মানব বুঝিয়া থাকে। পূর্বে কিন্তু বেদ সম্বন্ধে এইরূপ সংস্কার ছিল না। ; পুরাণ, স্মৃতি, সংহিতা , দর্শন ও উপনিষদেও পূর্ববর্তী বৈদিক যুগে মুদ্রাযন্ত্র অর্থাৎ ছাপার প্রচলন থাকা ও দুরের কথা, তখন অক্ষর বা বর্ণ-মালারই উৎপত্তি হইয়াছিল না। তৎকালে ব্রহ্ম , আত্মা, সত্যজ্ঞান এবং কর্মবিষয়ক জ্ঞান-রাজি মানুষের বিদ্যা, বেদ বা জ্ঞানের মধ্যেই নিহিত থাকিত। কেবল গুরুশিষ্য-পরস্পরা ক্রমে সেই জ্ঞানের মুখে মুখে অর্থাৎ একের মুখ বা বাক্য হইতে অন্যের কর্ণের অভ্যন্তর দিয়া আদান প্রদান হইত। শ্র“তি, শ্রবণ বা কর্ণ-যন্ত্রের সাহায্যে ঐ জ্ঞানের আদান-প্রদান হইত বলিয়া বেদের এক নাম শ্র“তি। পরবর্ত্তী যুগে যখন বর্ণমালার সৃষ্টি হইয়া পড়ে এবং মানবের বাক্য বা ভাষাকে ঐ সকল অক্ষরে লিখিয়া ব্যক্ত করার উপায় প্রাপ্ত হওয়া যায়, তখন হইতে যে বেদ বা জ্ঞান পূর্বে মানুষের বুদ্ধিতে ও জ্ঞানে মাত্র বিরাজ করিত, তাহা অক্ষর-বদ্ধ হইয়া শ্লোক বা মন্ত্রাকারে রচিত হইতে লাগিল। ঋষিগণ তাঁহাদের বিদ্যা, প্রজ্ঞা এবং বুদ্ধির অন্তগর্ত ব্রহ্মবিদ্যা, আত্মজ্ঞান এবং সাধনপদ্ধতি সকল ক্রমে মন্ত্রাকারে লিখিয়া শিষ্যবর্গের স্বরণ-শক্তিতে সংরক্ষণার্থ অভ্যস্ত, মুখস্থ বা কণ্ঠস্থ করার জন্য প্রদান করিতেন। অক্ষর-সৃষ্টির পরে বেদ-রাশি এই ভাবে মন্ত্রাকারে এবং জ্ঞানীগণের স্মৃতিতে বিরাজ করিতে আরম্ভ করিয়াছিল। এই সময় হইতে উপনিষদ্ শাস্ত্রের প্রণয়ন আরম্ভ হয়। ইহাই স্মৃতির যুগ। তারপর সেই একই বেদ বা সত্যজ্ঞান ক্রমে দর্শন, সংহিতা, তন্ত্র, পুরাণ ও উপ-পুরাণাকারে প্রকাশিত হইতে থাকে। অতএব সত্য-জ্ঞান-বিষয়ক যে কোন প্রবন্ধ বা গ্রন্থ হইতে আরম্ভ করিয়া উপপুরাণ, পুরাণ, তন্ত্র, সংহিতা, দর্শন, ম্মৃতিশাস্ত্র, উপনিষদ্, শ্র“তি এবং চতুর্বেদ-শাস্ত্র, এ সবই একই ‘বেদ’ নামে অভিহিত বিদ্যা। বেদ ছাড়া কোন সত্যজ্ঞান নাই। বেদই মানব-বুদ্ধির গম্য সর্বশ্রেষ্ঠ, উচ্চ ও সূক্ষ্ম জ্ঞান বা বিদ্যা। বেদ বিষয়ক মন্ত্র বা শাস্ত্র সকল প্রদানতঃ জ্ঞানকাণ্ড ও কর্ম্মকাণ্ড, এই দুই ভাগে বিভক্ত। জ্ঞানকাণ্ডই প্রকৃত বেদ ; কিন্তু কর্ম-কাণ্ডের মধ্য দিয়া আরোহণ না করিলে জ্ঞানকাণ্ড লাভ করা যায় না। সাধন পদ্ধতি অর্থাৎ চিত্ত্ব-শুদ্ধির প্রক্রিয়া সমূহই কর্ম-কাণ্ড। প্রথমতঃ তমোগুণী মানবকে সকাম রূপ পূণ্য-ক্রিয়ার সাহায্যে এবং দেবগণের কৃপায় রজোগুণে ও পরে নিবৃত্তি-ধর্ম বা নিষ্কাম-কর্ম-সাহায্যে সত্বগুণে আরোহণ করিতে হয়। বেদের জ্ঞান কাণ্ড চিরনিত্য , সত্য এবং অভ্রান্ত। কোন যুগেই তাহার পরিবর্তন হইবে না। কিন্তু মানবের শক্তি , জ্ঞান এবং দেশকালের অবস্থানুসারে কর্মকাণ্ড বা সাধন- পদ্ধতি পরিবর্তিত হইবার যোগ্য। এই করণে পরবর্তী বিভিন্ন কালে বিভিন্ন সংহিতার উৎপত্তি হইয়াছিল।মানবের নিত্য ও নৈমিত্তিক ক্রিয়া-পদ্ধতি, যজ্ঞ, পূজা, দান, ব্রত, সংযম, উৎসব, অনুষ্ঠান এবং বিধি-নিষেধ-পূর্ণ শাস্ত্রানুশাসন লইয়া কর্ম-কাণ্ড। কর্মের বা ক্রিয়ার বিধানকেই কর্মকাণ্ড বলে। কিন্তু আত্মা, ঈশ্বর, ব্রহ্ম, জীব, জগৎ, পরলোক, সাধনা, যোগ, সত্য এবং সৃষ্টি প্রভৃতি-বিষয়ক যে জ্ঞান বা বেদ, তাহাই জ্ঞান কাণ্ডের অন্তর্ভূক্ত বিষয়। এই জ্ঞানকাণ্ডের কোন, পরিবর্তন বা ভাবান্তর হইতে পারে না ; যেহেতু ইহা সত্য, শুদ্ধ ও নিত্য-সিদ্ধ বিদ্যা। বেদান্ত, উপনিষদ্ ও দর্শনাদি শাস্ত্র ঐ জ্ঞানকাণ্ডকে চিরদিন ঠিকই রাখিয়া সাধন-পদ্ধতি রূপ কর্মকাণ্ডকে নানা ভাবে পরিবর্তন করিয়া প্রচার করিয়াছে। বেদান্ত, সাংখ্য ও যোগদর্শনের তত্ত্ব-বিষয়ক জ্ঞানে কোনই পার্থক্য নাই, অথচ সাধন-পন্থা বা সাধনার উপায় সম্বন্ধে পার্থক্য রহিয়াছে। এইরূপ উপনিষদ্ সাগর সম্বন্ধেও ঐ কথা। অতএব সর্বশাস্ত্রের যাহা প্রকৃত বেদাংশ বা জ্ঞানাংশ, তাহা চিরদিনই নিত্য, সত্য ও একরূপ্ তাহা বিভিন্ন কালের দেশের জাতির, ধর্মের ও অবস্থার সর্ববিধ মানব এবং জীবমাত্রেরই পক্ষে প্রযোজ্য ও সর্বভৌমিক সত্য। কিন্তু সেই মূল বেদার্থ-সত্যকে নিষ্কাশন করার জন্য নানা ঋষির ও মহাত্মার নানা প্রকার ব্যাখ্যা, টীকা, ভাষ্য ও দীপিকা সকল প্রকাশিত হয়। পাশ্চাত্য প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও দর্শন সকলও ঐ জ্ঞানকাণ্ড বেদকে অতিক্রম করিয়া তদবিরুদ্ধ কোন সত্য প্রকাশ করণে সমর্থ হয় নাই ও হইবে না। কিন্তু কর্মকাণ্ডের পরিবর্তন ও বিভিন্ন ভাব লইয়াই বিভিন্ন দেশে, ধর্মে, যুগে ও জাতিতে গোলযোগ । এই কর্ম বা আচার-পদ্ধতি এবং সাধন ক্রিয়া কখনও দেশ কাল ও অবস্থা-নিরপেক্ষ অভ্রান্ত সত্য হইতে পারে না। দেশ, কাল ও অবস্থার পরিবর্তনে কর্মকাণ্ডকে পরিবর্তন করিয়া লইতেই হইবে ; তাহা না লইলে এবং প্রাচীন বা পুরাতন আচার ধর্ত লইয়া প্রমত্ত থাকিলে মানব কিছুতেই সত্যের অনুসরণে সমর্থ হইবে না। কর্মকাণ্ডকে শক্তি ও অবস্থা অনুসারে বদলাইয়া না লইলে মানবত্বের অভ্যুদয় স্থগিত হইয়া যাইবে। দেশ, কাল এবং মানুষের দৈহিক , প্রাকৃতিক ও পারিমার্শ্বিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে কর্ম-নীতিকে এবং বিধি-নিষেধমুলক শাস্ত্রানুশাসন সমুহকে পরিবর্তন করিয়া সম্যক্ পালন করাই ঐ সত্য-জ্ঞান লাভের উপায়। সকল যুগের মানুষ কখনও একই প্রকার জ্ঞান, শক্তি ও সংস্কার-সম্পন্ন হয় না ; সকল দেশের জল, বায়ু, শীতোষ্ণ, ভাব এবং মৃত্তিকা কখনও একই প্রকার হয় না। কালের শক্তিতে নিয়তই মানবের ভাব, জ্ঞান ও অবস্থার পরিবর্তন সাধিত হইতেছে। যখন বৈষয়িক স্বার্থ-ভাব দ্বারা অধিকাংশ মানবের সত্যাসত্য বিচার-বুদ্ধি আবৃত হইয়া পড়ে। তাহাতে সত্য ও ধর্মের গ্লানি উপস্থিত হয়। ইহাতে দেশে অসংখ্য প্রকার অন্ধ দেশাচার, কুলাচার, ও কু-সংস্কার প্রবৃতির অভ্যুদয় হয়। তাহাতে মানুষ ক্রমে ক্রমে অজ্ঞানান্ধ-কারে ডুবিয়া পশুত্বে পরিণত হয়। অতএব এই ভাবে জীবত্বের বা মানবত্বের বিকাশ সাধন করা অসম্ভব হইয়া পড়ে। ঐ অবস্থায় বেদোক্ত অভ্রান্ত সত্যজ্ঞান মানবের সম্মুখে বিরাজ করিলেও তাহা তাহার বিদ্যা, বুদ্ধি ও চিত্ত্বের গোচরীভূত হয় না। এইরূপে মানবের বিষয়-ভাবের উৎকর্ষ , আত্যাসক্তি ও সংঘর্ষ দ্বারা বেদ বাস্তবিকই বিলুপ্ত হয়। সেই বেদের পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্ত ব্রহ্মলোক হইতে মহর্ষিগণ, দেবগণ ও ভগবানগণের এ জগতে দলে দলে অবতরণ হইতে থাকে। স্বার্থ, বিষয়, সংসার, ভোগ, এবং ইন্দ্রিয়-সুখকে ত্যাগ না করিলে সত্য-লাভ হয় না। তাই ঐ সকল অবতাররূপী মহাত্মাগণ প্রায়ই সন্ন্যাষাশ্রম পরিগ্রহ করেন। ফলতঃ সন্ন্যাসী না হইলে বিষয়ী ও স্বার্থনিরত পণ্ডিত , গুরুম আচার্য্য, গোস্বমী এবং সমাজ-নেতাগণের ভ্রান্তি এবং কুসংস্কার দুর করিয়া সত্যকে অসত্যের কবল হইতে উদ্ধার করা য়ায় না। জীব মাত্রই একই আত্মার বিকাশ। বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্য দিয়া আত্মার বা আত্ম-চৈতন্যের বিভিন্ন ভাবেই বিকাশ হয় বলিয়া জীবে-জীবে ভেদ-ভাব পরিলক্ষিত হয়। একমাত্র অদ্বৈতবাদ ও তৎসম্মত বিশ্ব-প্রেম-নীতিই স্বার্থ ভাবকে হত্যা করিতে সমর্থ। ত্যাগ ও সংযমাদির সাধনা ব্যতীত কদাচ ঐ বাদে ও নীতিতে আরোহণ করা যায় না। ভেদ ও সঙ্গীর্ণ দেশাচার, কুলাচার ও বর্ণাচারের গণ্ডীতে প্রমত্ত থাকিলে কখনও মানব উদার সত্যকে চক্ষে দেখিতে পারে না। ঐ অদ্বৈতবাদ এবং তৎসম্ভুত বিশ্ব-প্রেম মানুষকে স্বাধীন, তেজস্বী, সর্বজ্ঞ, নির্ভয় ও শক্তিমান্ করিয়া জাগ্রত করে, মৃত্যু-ভয় দুর করিয়া দেয়, ক্ষুদ্রত্বকে বিনাশ করে, এবং মানুষকে ভগবান-পদে আরূঢ় করায়। এই বেদান্ত, অদ্বৈতবাদ এবং বিশ্ব-প্রীতিই বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মের বিরোধ নাশ করতঃ উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রদর্শন করে। সর্বজীবই একই আত্মা ও ঈশ্বরের স্বরূপ ও বিকাশ ; উহারা প্রকৃতি-মাত্র বিভিন্ন হইলেও সে প্রকৃতি অনিত্যা ও ক্ষয়-যোগ্যা। এই সকল সত্য জগতের বিভিন্ন ধর্ম-ভাব ও ধর্ম-সম্প্রদায়ের মধ্য দিয়াও এক সুমহান্ একত্ব সংস্থাপনে সমর্থ হয়। বিভিন্ন মানবের মধ্যে, বিভিন্ন দেশে, জাতিতে এবং বিভিন্ন মানবের মধ্যে, বিভিন্ন দেশে, জাতিতে এবং বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীবর্গের মধ্যে বাহ্য আচার গত ভেদ ও বৈষম্য থাকিলেও সর্বজীবের আত্মগত, সত্যজ্ঞানগত উপাসনা-গত এবং চরমাদর্শ-গত যে কোনই পার্থক্য নাই ও থাকিতে পারে না, তাহাই সমগ্র বেদ-সমুদ্রের প্রতিপাদ্য ও প্রদর্শিত অদ্বৈত-জ্ঞান।
    সংগ্রহ ঃ চন্দন কুমার দে, কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ।

  4. Anonymous says:

    চরম ভালো।লাগলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>