বাঙালির গল্পকার

বাঙালির গল্পকার – দুপুরবেলা| মাথার ওপর ফ্যানটা ট্যাকর-ট্যাকর করে ঘুরছে| বাইরে কোথাও কোন ছাদ-ঢালাই কি সিঁড়ি-বানাই কাজের অঙ্গ হিসেবে ঠাঁই-ঠাঁই আওয়াজ, এক-আধটা পাখির ডাক, গাড়ির হালকা গর্জন আর কিছু সরল ও আপাত-অর্থহীন শব্দ…
ঋজু গাঙ্গুলি

This entry was posted in literature, Opinion and Discussion. Bookmark the permalink.

6 Responses to বাঙালির গল্পকার

  1. Nina Gangulee says:

    Riju,
    aapanaar lekhaar Wriju bhangiti khub pachhando holo ! Gangulee der besh ekta jhorjhore sense of humour aachhe —-aapanaar aaro lekha porar agroho roilo….

  2. চমৎকার লেখা একখানা। পড়ার মজা যেমন, জানার মজাও তেমনি আছে ওতে। শুধু একটাই প্রশ্ন রইলঃ “যে আচারে –বসনে-কথায় নিজের বাঙালিয়ানা অটুট রাখে, আবার একই সঙ্গে থাকে সাহসী, নির্ভীক, নৈতিক, এবং আপোষহীন?” এর মানে কি বাঙালিয়ানার সঙ্গে সাহস, নির্ভিকতা নীতি আর আপোষহীনয়া সাধারণভাবে একত্র যায় না? আশা করি ভুল বুঝেছি। ভুল বুঝেছি কি?

    • Anonymous says:

      আমি আদৌ বলতে চাইনি যে বাঙালিয়ানার সঙ্গে সাহস, নির্ভয় মানসিকতা আর আপোষহীন ভাব মেশানো যায়না| আমি এটুকুই বলতে চেয়েছি যে সাহিত্যে জনপ্রিয় বাঙালি গোয়েন্দাদের মধ্যে বাকি সবারই চলন-বলনে সাহেবিয়ানার পারফিউম/আফটার-সেভ বড্ড বেশি প্রকট| কিরীটি, ফেলুদা, কর্নেল: এদের কাউকেই ঠিক আমাদের পাশের বাড়ির বাঙালি বলে মনে হয়না| কিন্তু শরদিন্দু ব্যোমকেশ-কে ঠিক সেই ভাবেই তৈরি করেছিলেন, যাতে তার চেহারা-ব্যবহার-কথা, এই সবেতেই বাঙালিয়ানা থাকবে ষোল আনা, কিন্তু যার ভেতরটা হবে ১০০% সেই রকম, যার কথা ভেবে রেমন্ড শ্যান্ডলার লিখেছিলেন: He is the hero, he is everything. He must be a complete man and a common man and yet an unusual man. আশা করি, আমার বক্তব্যটা বোঝাতে পারলাম|

      • Bhaskar Bose says:

        ঋজু,
        রেমন্ড শ্যান্ডলার এর এই কথাটা খুব সুন্দর।

        দেবজ্যোতি,
        আমার মনে হয় গড়পড়তা বাঙালী সম্পর্কে যে অভিযোগ, ‘তৈলঢালা স্নিগ্ধ তনু নিদ্রারসে ভরা’ বা ‘রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করনি’ – এই কথাটার ব্যতিক্রম অনেক বাঙালীই আছেন – ব্যোমকেশ তাদেরই এক যোগ্য প্রতিনিধি – সম্ভবতঃ এটাই বক্তব্য। সুমিতবাবুর লেখাতেই আছে – শরদিন্দুর জবানবন্দী-
        “ভেবেছিলেন “বিয়ে হলে বাঙালীর ছেলের আর পদার্থ থাকে না, তাই ব্যোমকেশকে তখনই রিটায়ার করিয়ে দিয়েছিলাম”!!
        আবার নিজেই পরে তাকে ফিরিয়ে আনলেন অত্যুজ্জ্বল ভাবে। এবং যোগ্য সঙ্গিনী রূপে আঁকলেন স্ত্রী সত্যবতী চরিত্রটিকে।

  3. Sumit Roy says:

    পরিশীলিত মন, সুগবেষিত তথ্য, যুক্তিদীপ্ত পরিবেশন — ঋজু গাঙ্গুলি, আপনি আমাকে মুগ্ধ করলেন। আপনার রচনা, নো চোনা :-) । যেন আবার, বারবার দেখা পাই।

  4. তমোঘ্ন says:

    যেমন সুন্দর বলার ভঙ্গী, তেমনই সমৃদ্ধ, সন্ধ্যার ঠিক এই সময়টা নিজেকে বড় ফাঁকা লাগে,আসলে একটা দিন গোটা বেরিয়ে যাই, তখন এরকম দুএকটা লেখা মন খানা ভরিয়ে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>