প্রসঙ্গ: পরশুরাম (১)

প্রসঙ্গ: পরশুরাম (১) – কৈশোর পার হবার পর যখন বড়োদের শারদীয়া পত্রিকা পড়ার অনুমতি থেকে পাওয়া গেলো, তখন থেকেই দেখেছি যে নামকরা সাহিত্য পত্রিকায় সম্পাদকীয় আর রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্রের পরেই প্রথম গল্পটি যাঁর, তিনি পরশুরাম। নৈবেদ্যের চূড়ায় সন্দেশটির মতোই। সেই লেখার প্রসাদগুণে বাকী নৈবেদ্যের চাল কিছু পচা হলেও খাওয়া যেতো, …
সুমিত রায়

This entry was posted in literature, Opinion and Discussion. Bookmark the permalink.

9 Responses to প্রসঙ্গ: পরশুরাম (১)

  1. Chandana Sarkar says:

    enjoyed thorough ly. Parasuram’s sense of humor can not be forgotten.I always think of his “Hoi hoi Zanti parona” I remember as a young girl I often had to write letters for my Thakuma who would dictate in her bangal words and we would always use Z for her accents for J.Looking forward to the next one.

  2. Mrityunjoy Nandi says:

    তোমার লেখা পডে আবার পরশুরাম নিয়ে বসেছি। রবীন্দ্রনাথের ঐ সমালোচনায় আছে—“তাঁর ভূষণ্ডীর মাঠের ভুতপ্রেতগুলোর ঠিকানা যেন আমার বরাবরকার জানা; এমন কি যে পাঁঠাটা কন্সর্টওয়ালার ঢাকের চামডা ও তাহার দশটাকার নোটগুলো চিবাইয়া খাইয়াছে সেটাকে আমারই বাগানের বসরাই গোলাপ গাছ কাঁটাসুদ্ধ খাইতে দেখিয়াছি বলিয়া স্পষ্ট মনে পডিতেছে।“
    পরশুরামের লেখার ছত্রে ছত্রে হীরে মুক্তো মাণিক্যের ছটা। দুটে উদ্ধৃতি দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলুম না। ভূষণ্ডীর মাঠে—“ভুতেদের মাঝে মাঝে চেঞ্জের জন্য স্বর্গে ও নরকে পাঠানো হয়।……নরকে গেলে পাপ ক্ষয় হইয়া সূক্ষ শরীর বেশ হালকা ঝরঝরে হয়, তা ছাডা সেখানে অনেক ভাল ভাল লোকের সঙ্গে দেখা হইবার সুবিধা আছে।“
    বিরিঞ্চিবাবা—“গেল বছর হরিহর ছত্রের মেলায় গিয়েছিলাম এক জায়গায় দেখি একটা প্রকাণ্ড বাঁশের খাঁচায় শ-দুই কাগ ঝামেলা করছে। পাশে একটা লোক হাঁকছে—দো-দো আনে কৌরে, দো-দো আনে।……কাগের মাংস তো শুনতে পাই তেতো লোকে বুঝি সুক্তো বানাবার জন্যে কেনে? তা নয়, এই কাগ খাঁচায় কয়েদ রয়েছে দু দু আনা খরচ করে যতগুলি ইচ্ছে কিনে নিয়ে জীবকে বন্ধনদশা হতে মুক্তি দাও, তোমারও মুক্তি হবে। ভাবলুম মোক্ষের মার্গ কি বিচিত্র! অন্য লোকে মুক্তি পাবে তাই এই গরীব কাগ-ওলা বেচারা নিজের পরকাল নষ্ট করছে।একেই বলে conservation of virtue. একজন পাপ না করলে আর একজনের পুণ্য হবার জো নেই।“
    পরের কিস্তির সাগ্রহ প্রতীক্ষায় রইলাম।

  3. Anonymous says:

    parer kisti kabe?

  4. Sumit Roy says:

    যদি অবসরের সম্পাদককে ঠিকঠাক গাঁজার সাপ্লাই জুগিয়ে যেতে পারি, তাহলে প্রতি দুহপ্তায় :-)

  5. Sujan DasGupta says:

    সুমিত-দা, বহুদিন বাদে আবার নতুন করে ‘বাণান কমিটিতে কয়েক ঘণ্টা’ (http://www.abasar.net/bibidh_banan.htm) পড়লাম। তুমি তো পরশুরাম নিয়ে প্রচুর পড়াশুনো করেছো । পরশুরাম নাকি অনেক সময় চরিত্র সৃষ্টি করতেন চেনাজানা লোককে ভেবে। ‘নিকষিত হেম’-এর তার্কিক উপেন দত্তের পেছনে কি গণিতজ্ঞ দেবপ্রসাদের ছায়া ছিল???

  6. Sumit Roy says:

    হতে পারে। দেবপ্রসাদ রাজশেখরকে ধুয়ে দিয়েছিলেন, অভিন্নহৃদয় পরশুরাম তার শোধ নিতে পারেনই। তবে এ নিয়ে ওঁরা কেউই আর ঘাঁটাননি, আমাকেও কিছু বলে যাননি। প্রসঙ্গত, দেবপ্রসাদকে নিয়ে একটু সাবধানে কথাবার্তা বোলো, অন্তত আমার সামনে। কিছু লোকে ওঁর আর আমার মধ্যে চরিত্র না হলেও ব্যবহারগত অল্পবিস্তর মিল খুঁজে পান।

  7. Surajit Banerjee says:

    সুমিত বাবু, আপনার লেখা খুবই উপভোগ করছি। আপনি যদি ১৯৪০-৪১ অনুবাদক সাহিত্যিক বিমল কুমার দত্ত বিষয়ে কিছু লেখেন ভাল হয়। শুভকামনা

  8. Sumit Roy says:

    ধন্যবাদ।

    বিমলকুমার দত্তের লেখা স্মৃতিতে আসছে না, হাতের কাছে যা কিছু গ্রন্থতালিকা আছে তা থেকেও পাচ্ছিনা কিছু। এক্ষেত্রে আমার লেখার চেষ্টা অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছু হবে না। আমি বলি কী, আপনিই লিখুন না তাঁকে নিয়ে, অবসরে প্রকাশ হলে তাঁর প্রচারও হবে আর অনেকের কৌতূহল মিটবে।

  9. মুকুল says:

    খুব ভালো লাগলো। তবে রাজশেখর বসুর লেখা নিয়ে লেখার উৎসাহ দেখা যায় খুব কিন্তু উনার নিজের জীবন, উনার সমসাময়িক সাহিত্যিকদের সাথে উনার সম্পর্ক এসব নিয়ে লেখা নাই বললেই চলে। শ্রদ্ধেও সুমিত রায়ের কাছে প্রত্যাশা রইলো পরশুরামের আড়ালের মানুষটাকে জানবার এবং এই মহীরুহের মত মানুষটার প্রতি সেই সময়ের আচরন কি ছিল তা জানবার সুযোগ দেবেন বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>